• ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ০৪ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Sreelekha Mitra

বিনোদুনিয়া

WBFJA-র মঞ্চে সেরার শিরোপা ‘মায়ানগর’-এর, শ্রীলেখা'র শক্তিশালী অভিনয়ে উজ্জ্বল সমকালীন বাংলা ছবি

সমকালীন বাংলা সিনেমার জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি। ওয়েস্ট বেঙ্গল ফিল্ম জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন (WBFJA)-র ২০২৫ সালের পুরস্কার মঞ্চে সেরা চলচ্চিত্রের সম্মান জিতে নিল মায়ানগর (Once Upon a Time in Calcutta)। ২০২৬ সালের শুরুতে অনুষ্ঠিত এই পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে ছবিটি বর্ষসেরা ছবি, সেরা পরিচালক ও শ্রেষ্ট স্ক্রিনপ্লে সহ একাধিক বিভাগে সাফল্য অর্জন করে কার্যত নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠা করেছে।২০২১ সালে নির্মিত আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্ত পরিচালিত এই বাংলা ভাষার ভারতীয়-ফরাসি-নরওয়েজিয়ান চলচ্চিত্রটি উইশবেরি ফিল্মস প্রযোজিত, ফর ফিল্মস, ক্যাথেরিন ডুসার্ট প্রোডাকশনস ও ডিইউওফিল্ম এএস-এর সহযোগিতায় তৈরি। এটি সেনগুপ্তের তৃতীয় পূর্ণদৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্র, যা প্রথমেই আন্তর্জাতিক মঞ্চে নজর কাড়ে। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে ৭৮তম ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ছবিটির বিশ্ব প্রিমিয়ার হয়, যা বাংলা ছবির ইতিহাসে এক উল্লেখযোগ্য সংযোজন।মায়ানগর আসলে শুধুই একটি গল্প নয়এটি কলকাতার পরিবর্তনশীল শহুরে বাস্তবতার এক গভীর, সংবেদনশীল দলিল। ২০১৫ সাল থেকে নির্মাণাধীন এই ছবিটি কান চলচ্চিত্র উৎসবের লআতেলিয়ে সিনেফন্ডেশন, সিএনসি, সরফন্ড এবং এনএফডিসি ফিল্ম বাজারের সমর্থন পেয়েছিল। পরিচালক আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্তের মতে, কলকাতার সায়েন্স সিটির বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ডাইনোসরের মূর্তি ও পাশেই দ্রুতগতিতে তৈরি হতে থাকা ফ্লাইওভারের দৃশ্য থেকেই ছবিটির ভাবনার জন্ম। অতীতের নিদর্শন ও বর্তমানের উন্নয়নের মধ্যকার এই বৈসাদৃশ্যই মায়ানগর-এর আত্মা।এই ছবির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন শ্রীলেখা মিত্র। তাঁর অভিনীত প্রধান চরিত্রটি মায়ানগর-কে শুধু গল্পের স্তরে নয়, আবেগের স্তরেও এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। জীবনের চাপে ক্ষতবিক্ষত এক নারীর লড়াই, আত্মসম্মান রক্ষা ও টিকে থাকার সংগ্রামসবকিছু শ্রীলেখা মিত্র তুলে ধরেছেন অসামান্য সংযম ও গভীরতায়। তাঁর অভিনয়ে নেই অতিনাটকীয়তা; বরং নীরবতা, দৃষ্টিভঙ্গি ও শরীরী ভাষাই হয়ে উঠেছে সবচেয়ে বড় শক্তি।ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ক্যালকাটা নিউইয়র্ক-এ ভারতীয় আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন, আলিয়া ভাটদের সাথে নমিনেট হয়ে তিনিই একমাত্র বাঙালি অভিনেত্রী হিসেবে সেরা অভিনেত্রী পুরস্কার পেয়েছেন। দীর্ঘ অভিনয় জীবনে নানা ধরনের চরিত্রে দর্শককে মুগ্ধ করা শ্রীলেখা মিত্রের কেরিয়ারে মায়ানগর নিঃসন্দেহে এক উল্লেখযোগ্য সংযোজন বলে মনে করছেন সমালোচকরা।ছবিতে তাঁর সঙ্গে অভিনয় করেছেন অরিন্দম ঘোষ, ব্রাত্য বসু, সত্রাজিৎ সরকার, অনির্বাণ চক্রবর্তী, রিকিতা নন্দিনী শিমু ও নবাগত শায়ক রায়। ব্রাত্য বসু তাঁর অভিনয়ের জন্য সেরা পার্শ্ব অভিনেতা (পুরুষ) বিভাগে পুরস্কৃত হন। পাশাপাশি ছবিটি সেরা চিত্রনাট্য ও সেরা সম্পাদনা বিভাগেও পুরস্কার জেতে এবং আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্ত সেরা পরিচালকের জন্য মনোনীত হন।সব মিলিয়ে, WBFJA-র সেরা চলচ্চিত্রের পুরস্কার জিতে মায়ানগর প্রমাণ করলআন্তর্জাতিক ভাষায় কথা বলা সংবেদনশীল গল্প ও শক্তিশালী অভিনয় আজও বাংলা সিনেমার অন্যতম বড় শক্তি। আর সেই শক্তির অন্যতম মুখ হয়ে উঠেছেন শ্রীলেখা মিত্র, যাঁর অভিনয় মায়ানগর-কে সময়ের ঊর্ধ্বে এক শিল্পমূল্য দিয়েছে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

মুনমুনের ভালোবাসায় আপ্লুত শ্রীলেখা! রাজনৈতিক মতাদর্শ ভুলে এ এক অন্য জোট

একঝলকে দেখে মনে হতে পারে শ্রীলেখা মিত্রের মায়ের চরিত্রে মুনমুন সেন! হঠাৎ মেয়ের বাড়িতে এসে ঘর অগোছালো দেখে কোমর বেঁধে পরিপাটি করে ঘর গোছাতে শুরু করলেন। না! এটা কোনও সিনেমার শুটিং নয়। কোনও নাটকের রিহার্সাল-ও নয়। বাস্তবেই এমন ঘটেছে। এবং অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র সেই আবেগঘন দৃশ্য নিজের সমাজমাধ্যমে ভাগ করে নিয়েছেন। তিনি এই বিরল মুহূর্ত চাক্ষুষ করে অবিভুত।অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র যে ভিডিও শেয়ার করেছেন তাতে দেখা যাচ্ছে, একদা বাংলা সিনেমার হার্টথ্রব সুচিত্রা তনয়া মুনমুন সেন ছাই রঙের ফুলছাপ শাড়ি ও স্লিভলেস ব্লাউজ পরে আঁচল কোমরে গুঁজে পরিপাটি ডাইনিং টেবিলে রাখা মিনারেল ওয়াটারের বোতলগুলি খাট লাগোয়া ছোট টেবিলে গুছিয়ে রাখছেন। মুনমুন বোতলগুলি সরাতে সরাতে বলে ওঠেন, আমি পেটিকোট খুঁজে পাচ্ছি না। মুনমুনের কান্ড দেখে কিংকর্তব্যবিমূঢ় শ্রীলেখা। অভিনেত্রী বলে ওঠেন আমার ঘর গুছিয়ে দিচ্ছেন কে দেখো! এই ভদ্রমহিলা আমার ঘর গুছিয়ে দিচ্ছেন। কোনও মানে হয়! আমি করতেও দিচ্ছি। ভিডিয়ো করছি, তবু গোছাতে নিষেধ করছি না! বলতে বলতে দুজনেই উচ্চস্বরে হেঁসে ওঠেন।কোনও কিছুকে পাত্তা না দিয়ে মুনমুন সেন ঘর গুছিয়েই চলেছেন। শ্রীলেখাও সেই অমূল্য মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করে চলেছেন। সুচিত্রা সেন তনয়া তাঁর ঘর গোছাচ্ছেন, এইসব দেখে শ্রীলেখা তারস্বরে কান্নার ভঙ্গী করে বলে ওঠেন, আমার লজ্জা করছে। ভীষন লজ্জা করছে, কী মিষ্টি মহিলা! কোনও কিছুতেই থামানো যাচ্ছে না মুনমুনকে। একের পর এক জলের বোতল এনে বিছানার পাশে টেবিলে রাখছেন তিনি। তখন বাধ্য হয়ে শ্রীলেখাই বলেন, এ বার তুমি থামো তো! শুধু জলের বোতলের স্থান পরিবর্তন করেই ক্ষান্ত হননি মুনমুন। এর পর শ্রীলেখার মাতৃসমা মুনমুন হাত দেন শ্রীলেখার কস্টিউম বক্সে। জিজ্ঞেস করে চলেন কোনটা কী। শ্রীলেখাও আন্তরিক ভাবে তার প্রতিটা প্রশ্নের উত্তর দিতে থাকেন। শ্রীলেখা বলতে থাকেন কোন শাড়ির সঙ্গে কোন গয়না কিনেছেন তিনি। পরিস্থিতি দেখে বোঝা যায়, এটি কোনও হোটেলের ঘরে দৃশ্য।অভিনেত্রীকে যোগাযোগ করা হলেও পাওয়া যায়নি। অনেকেরই ধারনা এই দুই অভিনেত্রী একসঙ্গে কোনও শুটিংয়ে গিয়েছেন! এই ভিডিয়ো শেয়ার করে সমাজমাধ্যমে শ্রীলেখা লিখেছেন, কোনও মানে হয়! এত ভালবাসা নিয়ে কী করি! কেউ দেয়নি।বাম মনোভাবাপন্ন শ্রীলেখার সাথে প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ মুনমুনের এই আবেগঘন মুহুর্তের পোস্টে অনেকেই আপ্লুত। রাজনৈতিক মতাদর্শ যাইহোক পেশাগত ক্ষেত্রে তার উর্ধে ওঠাটাই কাম্য। চিত্র-বিনোদন জগতে আমরা-ওরা মুলত ওই শিল্পক্ষেত্রের-ই ক্ষতি করছে বলে মনে করেন বিদগ্ধজন। এই আবেগঘন পোস্ট মুহুর্তে ছড়িয়ে পড়ে সমাজমাধ্যমে। দুই প্রবাদপ্রতিম অভিনেত্রীকে একান্ত ঘরোয়া পরিবেশে এত স্বাভাবিক কথোপকথন দৃশ্য অনুধাবন করে মুগ্ধ আপামোর নেটরসিক। দুজনের একান্ত দৃশ্য যদি কোনও সিনেমার শুটিংয়ের জন্য গিয়ে থাকেন সেই চমকের দিকেই তাকিয়ে দুই অভিনেত্রীর অনুরাগী মহল।

মার্চ ১৫, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

কেউ কথা রাখেনি, গল্প শুনে কফি খেয়ে ছবি তৈরির প্রতিশ্রুতি দিয়েই পগারপার!

টালিগঞ্জ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে কান পাতলেই তাঁকে দুর্মুখ, ঠোঁটকাটা সহ নানাবিধ বিশেষণ ভূষিত করতে শোনা যায়। আদতে তিনি শ্রীলেখা মিত্র সরলরেখায় চলতে অভ্যস্ত। কোনও বিষয়েই তাঁর ঢাকঢাক গুরুগুরু ব্যপারটা নেই। তিনি সোজা কথাটা সোজা ভাবেই বলতে অভ্যস্ত, তাতে বোমটা যত জোরেই ফাটুক। এর আগেও বহুবার তিনি যেমন ইন্ডাস্ট্রিতে কোনও গরবর দেখলে সপাট জবাব দিয়েছেন, ঠিক তেমনই জ্বলে উঠেছেন পোষ্যদের (বিশেষ করে সারমেয়) অবহেলা নিয়েও। লকডাউনে পথ কুকুরদের অবহেলা নিয়ে বারবার শিরোনামে এসেছেন শ্রীলেখা। শ্রীলেখা মিত্র এর আগে বহুবার জানিয়েছেন, তিনি ফেবার পাওয়ার জন্য কখনই কারুর কাছে নিজেকে ফেবারিট করে তুলতে চাননি। কয়েকদিন আগেই টালিগঞ্জের এক রন্ধন পটীয়সী ঘোষীকা তাঁর প্রযোজক স্বামী কে নিয়ে করা কানাঘুঁশো অভিযোগ, প্রকাশ্য মিডিয়ায় সপাট জবাব দিয়ে শ্রীলেখা বুঝিয়ে দিয়েছেন সব ক্ষারক-ই ক্ষার নয়।একসময়ের টলিউডের জনপ্রিয় লাস্যময়ী নায়িকা, এখন পরিচালক, প্রযোজক এবং অবশ্যই একজন খ্যাতানামা অভিনেত্রী। সম্প্রতি তাঁর অভিনীত পরিচালিত বেশ কয়েকটা ছবি শিরোনামে উঠে এসেছে। উল্লেখযোগ্য ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ক্যালকাটা। কলকাতার শহরের ওপর আধারিত এই ছবিটি কলকাতা আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে অবশ্যই দেখানো উচিত ছিল বলে মনে করেছিলেন ফিল্ম ক্রিটিক্স রা। সেই ঘটনায় তিনি তীব্র প্রতিবাদ করেও ছিলেন। অনেকেই সে সময় বলেছিলেন, যে অভিনেত্রী ভেনিস নিউ ইয়র্কে সমাদৃত তাঁর কি বা আসে যায় কলকাতাতে উপেক্ষা করলে। কিন্তু কিছু চলচ্চিত্র সমলোচক অনুপ্রেরণার আরাল থেকে মনে করেছিলেন, হ্যাঁ আসে! তাঁদের মতে, যখন অযোগ্যরা মঞ্চ দাপিয়ে বেড়ায় তখন অবশ্যই যোগ্য ব্যক্তিদের কিছু এসে যায়।ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ক্যালকাটা মেলবোর্নের ভারতীয় আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়েছে। অবশেষে তিনি বাংলা সংস্কৃতির প্রানকেন্দ্র নন্দনে হাজির হন তাঁর নিজের প্রযোজিত, পরিচালিত ও অভিনীত স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি এবং ছাদ এর সৌজন্যে। এবং ছাদ শ্রীলেখার প্রযোজিত প্রথম শর্টফিল্ম। প্রযোজনা সংস্থা পসাম প্রোডাকশনস প্রযোজিত এবং ছাদ ছাড়াও আরও তিনটি স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবির অংশ জুড়ে একটি পূর্ণ দৈর্ঘের অ্যান্থোলজি ছবি তৈরি করার পরিকল্পনা শ্রীলেখার।এবং ছাদ ছবিটি নিয়ে তিনি প্রথম থেকেই বারবার বিড়ম্বনাই পড়েছেন। তিনি একাধিকার সামাজিক মাধ্যমে তাঁর আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন। এমনকি সামাজিক মাধ্যমে প্রযোজকের জন্য আবেদন করতেও তাঁকে দেখা গেছে। অনেক ঘাত প্রতিঘাত, প্রত্যাখ্যান-র সিঁড়ি পেড়িয়ে তিনি সত্যিই ছাদ তুলতে পেরেছেন। আজ আক্ষরিক অর্থেই ছাদে উঠে শ্রীলেখা নিচের দিকে তাকিয়ে বলতে চাইছেন, তোমরা আমাকে বহু চেষ্টা করেও আমার ছাদে ওঠা আটকাতে পারলে না। সেই একগুচ্ছ অভিমান, আক্ষেপ, অবহেলা, বিশ্বাসঘাতকদের উদ্দেশ্যে গর্জে উঠেছে তাঁর কলম। তিনি সামাজিক মাধ্যমে উগরে দিয়েছেন সেই কথা।শ্রীলেখা সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেনঃছবি তো বানিয়েছি নিজের পয়সায়, প্রচুর festival ঘুরলো। সামনেই আবার দিল্লি যাচ্ছি এবং ছাদ নিয়ে। ছবিটা বানিয়ে ইচ্ছে হয়েছিল আরো তিনটে শর্ট বানাবো তারপর অ্যান্থোলজি হিসেবে হল রিলিজ করব। নতুন পরিচালকের পাশে দাঁড়ান বলে যারা দাবি করেন তারা অনেকেই ফোন ধরেননি বা মেসেজের রিপ্লাই ব্যাক করেননি।। যারা করেছেন তারা কফি খেয়ে এবং খাইয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ছবির জন্য পয়সা দেবেন। এক ভদ্রলোক সামান্য কিছু টাকা এডভান্স করেছিলেন ছবি আরম্ভের দশ দিন আগে থেকে উনি ফোন ধরা এবং মেসেজের রিপ্লাই ব্যাক করা বন্ধ করে দিলেন। আমরা তার আগে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছি লোকেশন রেইকি করেছি একটার্সদের নিয়ে ওয়ার্কশপ করেছি কিছু কিছু টাকা এডভান্সও দিয়েছিলাম। প্রডিউসার ভদ্রলোক তখন গায়েব। এখন উনি এবং উনার পরিবার আমার কাছে সেই যৎসামান্য এডভান্স যেটা দিয়েছিলেন যা কিনা পুরোটাই খরচ হয়ে যায় তা ফেরত চাইছেন। নিয়ম মতে সেই টাকা দেওয়ার কথা নয় আমাদের সময় পরিশ্রমের কোন মূল্যই দেয়া হয়নি। তাও বলেছি ফাইন্যান্সার পেলে বা প্রোডিউসার পেলে কিছু দেবো। উনি টাকাটা দেখলেন সময়ের পরিশ্রমের মূল্যটা দিলেন না। এর মধ্যে হলো আমার টাকা চোট। আমি দমবো না ছবি তো আমি করবই দরকার হলে নিজের ফিক্স ডিপোজিট ভেঙ্গে করব। সাথে থেকো।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

ইডি, সিবিআই-র ডাক না পেয়ে 'পতিবাদ' করলেন টলি অভিনেত্রী!

রাজনীতির আঙ্গিনা ছেড়ে ঢেউ এখন টালিগঞ্জে আছড়ে পড়েছে। কখন এসএসসি দুর্নীতিতে কার ডাক আসে সেই আতঙ্কে কাঁপছে টলিউড, ঠিক অন্যদিকে জনপ্রিয় টলি অভিনেত্রী আবার মর্মাহত কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের তলব না পেয়ে। সূত্রের খবর, খুব শীঘ্রই টালিগঞ্জের প্রথম সারির বেশ কয়েকজন অভিনেতা ও অভিনেত্রীকে তলব করতে পারে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি।অন্যদিকে জাতে উঠতে না পারার দুঃখে মরমে মরছেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। রবিবারের সকালে শ্রীলেখা মিত্রর সামাজিক মাধ্যমের এহেন পোস্ট দেখে ঘাবরে গেছেন তাঁর অনুরাগীরা। আচমকাই এহেন উপলবদ্ধির হেতু বুঝতে একটু সময় লাগে তাঁদের। হঠাৎ কেন এমন কথা বললেন শ্রীলেখা?নিয়োগ দুর্নীতি মামলার জল গড়িয়েছে বহু দূর। কুন্তল ঘোষের বয়ানের ওপর ভিত্তি করে ডাকা হয়েছে টলি অভিনেতা বনি সেনগুপ্তকে। গোয়েন্দাদের ধারণা শুধু বনি সেনগুপ্ত নয়, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে নাম জড়াতে চলেছে টালিউডের নামি-অনামি একঝাঁক অভিনেতা-অভিনেত্রীর। মূলত যাঁদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা ট্রান্সফার করেছেন ইডির হাতে গ্রেফতার হওয়া তৃণমূল কংগ্রেসের যুবনেতা কুন্তল ঘোষ। ইতিমধ্যেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে অভিনেতা বনি সেনগুপ্তকে, আগামী মঙ্গলবার আবার তাঁকে ডাকা হয়েছে। কুন্তলের অভিযোগ ছিল, বনিকে ৪০ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন তিনি। সূত্রের খবর, শীঘ্রই টালিগঞ্জের প্রথম সারির দুই অভিনেতা ও তিন অভিনেত্রীকে তলব করতে চলেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।শ্রীলেখার পোস্টে অনেকেই কটাক্ষের ইঙ্গিত পাচ্ছেন। সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে শ্রীলেখা মিত্র লেখেন, জীবনে একটা ইডি, সিবিআই-এর ডাক পেলাম না!!! রোজ়ভ্যালি থেকে কুন্তল... ছিঃ ছিঃ তিনি টলিউডের একজন স্বনামধন্যা নায়িকা হওয়া সাত্তেও যে বহু বছর ধরে যে একই কোম্পানির গাড়ি ব্যবহার (ভার্না ফ্লুইডিক) ব্যবহার করছেন, সে কথাও তিনি আক্ষেপের সাথে উল্লেখ করেছেন তাঁর পোস্টে। কয়েক বছরের অভিনেতা বনি সেনগুপ্ত কুন্তলের টাকায় ল্যান্ড রোভার কেনাতেই কি শ্রীলেখার আক্ষেপ? অভিনেত্রী আরও লেখেন, আর পরের ছবির প্রযোজকের আশায়। ধুর ধুর! পতিবাদ থুরি প্রতিবাদ করছি।তাঁর প্রতিবাদ কে পতিবাদ বলার ধরনের মধ্যেই ভয়ঙ্কর শ্লেষ-র আভাস পাচ্ছেন নেটিজেনরা। বিশিষ্টজনেদের ধারণা বিদ্যজনেদের মতাদর্শ ভুলে ইস্যু ভিত্তিক প্রতিবাদকেই শ্রীলেখা হয়ত পতিবাদ বলে ব্যঙ্গ করতে চেয়েছেন।

মার্চ ১২, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

এবং নন্দনে শ্রীলেখা, এবার সদর্পে নিজের ছবি নিয়ে উপস্থিত হবেন

অবশেষে নন্দনে শ্রীলেখা, তাও আবার নিজের প্রযোজিত ছবি নিয়ে। বারবার তিনি নন্দন-র নন্দনদের দাপাদাপি নিয়ে সোচ্চার হয়েছেন। কিছুদিন আগে কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচিত্র উৎসবে তাঁকে আমন্ত্রণ না জানানো নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। চলচ্চিত্র উৎসবকে রাজনীতির প্রেক্ষাপট বানানো নিয়ে তিনি প্রতিবাদ জানান। উল্লেখ্য, নন্দনে কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচিত্র উৎসবের সময় তাঁর ছবির পরিচালক আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্তকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়নি কোনও এক আজানা কারণে।কলকাতা চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে যুক্ত অনেকেই আড়ালে মেনে নিয়েছিলেন, ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ক্যালকাটা যা কিনা কলকাতার ওপর আধারিত সেই ছবিটি উৎসবে অবশ্যই দেখানো উচিত ছিল। শ্রীলেখা অপমানিত বোধ করেছিলেন। কেউ কেউ মনে করেছেন, যে অভিনেত্রী ভেনিসে, নিউ ইয়র্কে সমাদৃত তাঁর কি বা যায় আসে কলকাতাতে উপেক্ষা করলে। কিন্তু কিছু চলচ্চিত্র সমলোচক মনে করেন, হ্যাঁ আসে। তাঁদের মতে, যখন অযোগ্যরা মঞ্চ দাপিয়ে বেড়ায় তখন অবশ্যই যোগ্য ব্যক্তিদের কিছু এসে যায়। শ্রীলেখা এ ব্যাপারে অনেকবারই দুঃখপ্রকাশ করেছেন।কিছুদিনের মধ্যে ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ক্যালকাটা মেলবোর্নের ভারতীয় আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে যাবে। সেখানে বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন, বিদ্যা বালন, আলিয়া ভাট ও শেফালি শাহদের সঙ্গে তিনিই একমাত্র বাঙালি অভিনেত্রী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। পুরষ্কারের কোনও ঘোষণা এখনও হয়নি। কে বিজয়ী হবেন সে সমন্ধে এখনও কোনও খবর প্রকাশ হয়নি। কিন্তু আন্তর্জাতিক মঞ্চে বলিউডের নামজাদা নায়িকাদের সঙ্গে মনোনীত হওয়া অবশ্যই কৃতিত্বের, একথা শ্রীলেখার চরমতম সমলোচক-ও স্বীকার করবেন।সেই সাফল্যের রেশ টেনে নন্দনের ফ্লোরে পা দেবেন শ্রীলেখা। যে নন্দন তাঁকে কোনও কারণ ছাড়াই ব্রাত্য রেখেছে, সেই নন্দনে তাঁর নিজের ছবি নিয়ে উপস্থিত হচ্ছেন শ্রীলেখা। আগামিকাল, বৃহস্পতিবার নন্দনে তাঁর প্রযোজিত, পরিচালিত ও অভিনীত স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি এবং ছাদ প্রদর্শিত হবে। ইতিমধ্যে ছবিটি সাউথ এশিয়ান শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে মনোনীত হয়েছে। ফেস্টিভ্যালের জুরি মেম্বাররা ছবিটি দেখানোর জন্য নন্দনকেই বেছে নিয়েছেন। যার পরিণাম শ্রীলেখাকে সেখানে উপস্থিত থাকতে হবে। নন্দন প্রেক্ষাগৃহ-৩ এ ছবিটি স্ক্রিনিং হবে।এবং ছাদ শ্রীলেখার প্রযোজিত প্রথম ছবি। প্রযোজনা সংস্থা পসাম প্রোডাকশনস চারটি স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবির অংশ জুড়ে একটি পূর্ণ দৈর্ঘের অ্যান্থোলজি ছবি তৈরি করছেন। শ্রীলেখা সামাজিক মাধ্যমে এই ছবিগুলির জন্য ফাইন্যান্সার খোঁজার কথা জানিয়েছেন। এখনও সেই ভাবে কাউকে পাননি, তা নিয়েও তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন।শ্রীলেখার তাঁর সামাজিক মাধ্যমে আরও জানিয়েছেন যে, আগামিকাল ৪ আগস্ট তিনি নন্দনে যাবেন। সসম্মানে! নিজের ছবি দেখবেন। জুরিরা তাঁর ছবি এবং ছাদ দেখবেন। তাঁর সামাজিক মাধ্যমে সদর্প ঘোষণায় এটুকু আন্দাজ করাই যায় তিনি যথেষ্ট উত্তেজিত কালকের নন্দন অভিযানে। যেখানে তিনি কারুর আনুগ্যতে নয় যোগ্যতায় হাজির থাকবেন বলে মনে করেন শ্রীলেখা। বন্যেরা বনে সুন্দর-শিশুরা মাতৃ ক্রোড়ে আর চলচিত্র শিল্পীরা নন্দনে। আশা করাই যায় কালকের অপেক্ষায় আজকের রজনী বিনিদ্র যাপন করবেন শ্রীলেখা।

আগস্ট ০৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

পার্থ বাবুর আরও চার পাঁচ জন প্রাক্তন আছেন ইন্ডাস্ট্রিতে (টলিউডে)...কাদের নাম করলেন শ্রীলেখা?

এই মহুর্তে এসএসসি দুর্নীতি মামলার ইডির হাতে গ্রেফতার হওয়া প্রাক্তন শিক্ষা মন্ত্রী ও বর্তমান রাজ্যের শিল্প মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের এসএসকেএম হাসপাতালের ইনস্টিটিউট অব কার্ডিওভাস্কুলার সায়েন্সেস-এর আইসিসিইউতে চিকিৎসা চলছে। ইন্টেনসিভ করোনারি কেয়ার ইউনিটের ১৮ নম্বর কেবিনে তিনি ভর্তি আছেন। তাঁকে বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের চিকিৎসকরা পরীক্ষা করেন। আপাতত মন্ত্রীকে কার্ডিওলজি বিভাগের স্পেসাল কেবিনে ভর্তি করে চিকিৎসা হচ্ছে বলে জানা যায়। মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে তাঁর চিকিৎসার জন্য।শনিবার সকাল তখন ১০টা নাগাদ মন্ত্রীর বাসভবন নাকতলাথেকে গ্রেফতার করে নিয়ে গিয়েছিল ইডি। । জোকা ইএসআই, সল্টলেক সিজিও কম্পলেক্স ভায়া ব্যাঙ্কশাল কোর্ট তাঁকে সাড়ে সাতটা নাগাদ আনা হয় এসএসকেএম হাসপাতালে। গাড়ি থেকে নামিয়ে হুইল চেয়ারে করে পার্থকে জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়। বিগত ২৬-২৬ ঘণ্টা র জেরা ইতি হয়ে মন্ত্রী গ্রেপ্তার হতেই সামাজিক মাধ্যম ভরে যায় যা নানা সমলোচলনা ও মিমে। বিরোধী দল বিজেপি, সিপিএম ও কংগ্রেস তো আছেই। শুরু হয়ে যায় বিভিন্ন মহলের বিশিষ্ট জনেদের মন্তব্য।জনপ্রিয় চিত্র পরিচালক কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায় ইডির টুইট করা ছবি দেখে তাঁর সামাজিক মাধ্যমে লেখেন যা দেখছি, কেউ নায়ক ছবির remake করলে স্বপ্নদৃশ্যের জন্যে টাকার পাহাড়ের অভাব হবে না এই বাংলায় !!! তিনি আরেকটা পস্টে লিখেছেন এবার ভুঁড়িটা কমাতেই হবে। ফ্রেঞ্চ কাট বা ঘনিষ্ঠ রূপসী - বা থিম পুজো - নৈব নৈব চ। ইঙ্গিত স্পষ্ট, সাধরণ মানুষের বুঝে উঠতে খুব একটা ক্ষত করতে হয় না।বাংলা চলচিত্র অভিনেতাদের মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও ব্যস্ত অভিনেত্রী শ্রীলেখা। চলমান জগতে কোনও গুরুত্বপূর্ন বা স্পর্শকাতর বিষয়-ই তাঁর নজর এড়িয়ে যায় না। রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিশেষ বন্ধু অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের ফ্ল্যাটে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা উদ্ধার মাত্র দুই বান্ধবীর নাম সামনে এসেছে তাতেই ইতিমধ্যে ২১কোটি ২০ লক্ষ টাকা সাথে ৭৯ লক্ষ গহনার হদিস পেয়েছে ইডি। এছাড়াও বীরভুমে ও কোলকাতায় একধিক বাংলো ও ফ্ল্যাটের খোঁজ পাওয়া গেছে ইডি সুত্রে খবর। এবার সামাজিক মাধ্যমে বোমা ফাটালেন টলিউড অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। তিনি তাঁর সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন পার্থ বাবুর আরও চার পাঁচ জন প্রাক্তন আছেন ইন্ডাস্ট্রিতে (টলিউডে)। বলবো নাকি নাম গুলো?। শ্রীলেখা কি কিছু ইঙ্গিত দিলেন?অভিজ্ঞ মহলের ধারনা ইডি কোনও আধিকারিক যদি শ্রীলেখার সামাজিক মাধ্যম ফলো করে থাকেন অবশ্যই এই প্রশ্ন তাঁরা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে রাখবেন। এবং তদন্ত করে শ্রীলেখার বক্তব্য থেকে তাঁরা সারমর্ম খুঁজে বার করার চেষ্টা করবেন-ই। তাৎপর্যপূর্ন ভাবে শুক্রবার সাত সকালে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে ইডি-র তদন্তকারী দল পৌঁছানোর পরপরই মন্ত্রীর বিশেষ বন্ধু অর্পিতা মুখার্জি নাম সামনে আসে, তারপরই বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ মন্ত্রীর শান্তিনিকেতন (বীরভূম) যোগ নিয়ে সরব হন। আজ সারাদিন সমস্ত সার্চ লাইট বোলপুর ও কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে এসে যায়। রবীন্দ্র-নজরুল মিলে মিশে একাকার।শ্রীলেখাকে আক্ষেপের সুরে বলতে দেখা যায় সেই সমস্ত (অদৃশ্য) বন্ধুদের কাছে কত কোটি দিয়েছে কে জানে। পরক্ষনেই তিনি এক অজানা কারনে নিজেকে গুটিয়ে নিলেন। তাঁর ধারনা প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে কিছু বলে শত্রু বাড়ানোর কোনও প্রয়োজন নেই। তাঁর আশঙ্কা এসব পাবলিক করলে হয়ত সুপারি কিলার-ও পিছনে লাগাতে পারে।এই মন্তব্যের পর তাঁকে সামাজিক মাধ্যমে তাঁর ফ্যান ফলোয়াররা চেপে ধরতে থাকেন নাম প্রকাশ করার জন্য, কেউ কেউ লেখেন নেশন ওন্টাস টু নো। কিন্তু অভিনেত্রী বরাবরের মতোই বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগ করে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছেন এই বিতর্কে থেকে। এমনকি জয়জিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়,রূপা ভট্টাচার্যের মত টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রী দের জোরাজুরিতেও তিনি রা কারেননি। মুখ খুলেও মুখ লোকালেন শ্রীলেখা...... ভয়ে না আশঙ্কায়! নেশন ওন্টাস টু নো

জুলাই ২৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

একই মঞ্চে শ্রীলেখা-তসলিমা

দুজন দুই জগতের বাসিন্দা হলেও তাদের ব্যক্তিত্বে অনেকটাই মিল রয়েছে। দুজনেই স্পষ্টভাষী। সোশ্যাল মিডিয়া দেখলেই তার প্রমাণ পাওয়া যায়। তাই স্বাভাবিকভাবেই তাঁদের বিতর্ক পিছু ছাড়ে না। এই দুজনের মধ্যে একজন হলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী, আর একজন জনপ্রিয় লেখিকা। অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র এবং লেখিকা তসলিমা নাসরিন। সম্প্রতি দিল্লিতে হঠাৎ দেখা দুজনের। সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন শ্রীলেখা। লে রিদম নামের সংস্থার অনুষ্ঠানে যোগ দিতে নয়াদিল্লিতে হাজির ছিলেন শ্রীলেখা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তসলিমা নাসরিনও। সেখানেই দুজনের আলাপ। অনুষ্ঠানে খুব বেশি কথা হয়েছে তেমনটা নয় তবে শ্রীলেখার কথায় খুব কম বয়সেই তসলিমার লজ্জা, আমার মেয়েবেলা পড়েছিলেন, স্বভাবতই তসলিমার লেখনী মুগ্ধ করেছিল তাঁকে। শ্রীলেখার কথায়, এত সাহসী কলম! ওঁর উপস্থিতিও ওঁর লেখার মতোই উজ্জ্বল! লে রিদম নামের এই সংস্থা অসহায়, দুস্থ নারীদের স্বনির্ভর করার জন্য নিয়মিত কাজ করে চলেছে। প্রান্তিক নারীদের পায়ের তলায় শক্ত জমি জোগানোর এই উদ্যোগে এবার শামিল শ্রীলেখা, তসলিমারাও। দুস্থ নারীদের পড়াশোনা, নাচ-গানের পাশাপাশি অভিনয়েরও পাঠও দেবেন শ্রীলেখা, যাতে নতুন করে স্বপ্ন দেখতে পারে ওরা।

মে ৩১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কলকাতা চলচিত্র উৎসবে 'ব্রাত্য' অভিনেত্রীর আন্তর্জাতিক পুরস্কার বিজয়

বেশ কয়েকদিন আগেই শ্রীলেখা মিত্র সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছিলেন আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্তর ছবি ওয়ান্স আপন অ্যা টাইম ইন ক্যালকাটা তে অভিনয় করে নিউইয়র্ক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা অভিনেত্রী হিসাবে মনোনীত হয়েছেন শ্রীলেখা মিত্র। এবার তিনি আরও একটি সুখবর দিলেন।আদিত্যর এই ছবিতে অভিনয়ের সুবাদে নিউইয়র্ক ইন্ডিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে জিতলেন সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার। সকাল সকাল এই খুশির খবরটা তাঁর সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করলেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় শ্রীলেখা একটি ছবি এবং ভিডিও পোস্ট করেন। ওই পোস্টে সকলকে ধন্যবাদ জানান তিনি। যাঁরা ভালবাসে কিংবা ঘৃণা করে তাঁদের সকলকেই ধন্যবাদ জানান। স্বর্গীয় মা, বাবার কথাও সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টে উল্লেখ করেন অভিনেত্রী।কয়েকদিন আগেই কলকাতা আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো। শহর জুড়ে নানান চলচিত্রের ভিড়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মঞ্চে ছোটো বড় মাঝারীদের ভিড়ের কোথাও দেখা মেলেনি এই আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রাপ্ত অভিনেত্রীর। শ্রীলেখার অক্ষেপ, হয়ত বা তিনি বাম মনোভাবাপন্ন বলেই তাঁকে আমন্ত্রণ করা হয়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিনেতা জনতার কথা কে জানান, শিল্পীর পরিচয় তাঁর কাজে, তাঁর রাজনৈতিক মতাদর্শের বিচার রাজনিতীর ময়দানেই হওয়া উচিত।উল্লেখ্য গত বছর ভেনিস ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে ওয়ান্স আপন অ্যা টাইম ইন ক্যালকাটা ছবিটি দেখানো হয়েছিল। তখন থেকেই ছবিটি নিয়ে আলোচনা চলছে। শ্রীলেখা সেরা অভিনেত্রী হলেন, সেরা পরিচালকের শিরোপা পেলেন আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্ত।

মে ১৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

নন্দনে 'পরাজিত' সত্যজিৎ, যুব তৃণমূলের রাজ্য সভানেত্রী অভিনেত্রীও ব্রাত্য!

যে নন্দনএর নামকরণ যাঁর হাতে, যে নন্দনের প্রতীকচিহ্নটিও যাঁর পেনে আঁকা, সেই সত্যজিৎ রায়ের জীবনের ওপর আধারিত সিনেমা ব্রাত্য নন্দনে। ১৯৮৫ সালের ২ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গ সরকার কর্তৃক নন্দন প্রতিষ্ঠিত হয়। নন্দনের সুদৃশ্য স্থাপত্যবিশিষ্ট ভবনটির দ্বারোদ্ঘাটন করেছিলেন বিশিষ্ট চলচ্চিত্র পরিচালক অস্কার বিজয়ী সত্যজিৎ রায়। শোনা যায় তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর নির্দেশে নন্দনের স্থাপত্য শিলাতে সত্যজিত রায়ের নাম জ্যোতি বসুর নামের ওপরে রাখা হয়েছিল।মাত্র কয়েকদিন আগেই এই বিশ্ব বরেণ্য চলচিত্র পরিচালকের জন্ম শতবর্ষ ঘটা করে পালন করা হল। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকেও তাঁকে স্মরণ করে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। তাল কাটলো কয়েকদিন গড়াতেই, তাঁর জন্ম শতবর্ষকে স্মরণীয় করে রাখতে চিত্র পরিচালক অনীক দত্ত তাঁর জীবনের ওপর আধারিত এক ডকুফিচার বানিয়ে ছিলেন, সেই সিনেমার জায়গা হল না তাঁর নামাঙ্কিত নন্দনে। সিনেমাটিতে সত্যজিতের চরিত্রে অভিনয় করেছেন জিতু কমল। বিজয়া রায়ের চরিত্রে অভিনয় করেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সভানেত্রী তথা অভিনেত্রী সায়নী ঘোষ।অপরাজিত-র নন্দনে স্থান না পাওয়ায় জনসাধণের পাশাপাশি ফিল্ম দুনিয়ার-ও অনেকেই প্রতিহিংসার গন্ধ পাচ্ছেন। এর আগে অনীক দত্তের ভবিষ্যতের ভুত নিয়েও বিতর্ক অনেক দূর অবধি গড়িয়েছিল। সে সময় অপরাজিত-র বিজয়া অভিনেত্রী সায়নী অন্য পক্ষে ছিলেন। মেট্রোর সামনে সরকার পক্ষকে বিদ্ধ করে তাঁর জ্বালাময়ী ভাষণ নেট মাধ্যমে একটু ঘাঁটলেই পাওয়া যাবে। সেই সায়নী আজ সরকার পক্ষে।এবার সায়নী কোন পক্ষে থাকবেন প্রশ্ন তুললেন সদা প্রতিবাদী শ্রীলেখা মিত্র, অভিনেতা জয়জিৎ বন্দোপাধ্যায় ও ইন্দ্রাশিস আচার্য সহ একঝাঁক টলি তারকা। তাঁদের প্রশ্ন অনীক দত্তর ভবিষ্যতের ভুত ছবিটি মুক্তির পুর্বে কলকাতা ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল-এ বলা একটি বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে রাজ্য সরকারের রোষ-নজরে পড়েছিলেন তিনি। সে সময় একরকম কোমর বেঁধেই অনীকের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন অভিনেত্রী সায়নী ঘোষ। উল্লেখযোগ্য ভাবে এ বার সায়নী অনীকের অপরাজিত-র বিজয়া। প্রশ্ন, তিনি কি তাঁর রাজনৈতিক খোলস ছেড়ে অনীকের হয়ে গলা ফাটাতে পারবেন? পারবেন জাস্টিস ফর অল বলে গলার স্বর উচ্চগ্রামে তুলতে?শুক্রবার সকালে সিনেমাটির উদ্বোধনের প্রাকলগ্নে অভিনেত্রী সায়নী ঘোষ সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, অপরাজিত সিনেমাটি নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ এবং উত্তেজনা নজর কাড়া।। ছবিটি আজকে রিলিজ করছে এবং ইতিমধ্যেই ৪০% প্রি-বুকিং শুরু হয়েছে। মানিক বাবুর পথের পাঁচালী বানাতে যা সময় বা কষ্ট বা ধৈর্য লেগেছিল, সেই তুলনায় কম হলেও অপরাজিত ছবি বানাতে স্পট বয় থেকে শুরু করে প্রোডিউসার সবারই কাল ঘাম ছুটে গিয়েছে।। লজিস্টিকস এর সমস্যা, অনসম্বল কাস্টিং, চ্যালেঞ্জিং ওয়েদার কন্ডিশান, লোকেশন এর সমস্যা এত কিছুর মধ্যেও প্রোডিউসার ফিরদৌসুল হাসান এবং পরিচালক অনিক দত্ত ছবিটাকে নিখুঁত ভাবে তৈরি করেছেন।। অনিক দার সঙ্গে সেই সর্ষে বাটার বিজ্ঞাপন থেকে আলাপ।নন্দন প্রসঙ্গে তাঁর বক্তব্যের দিকে তাকিয়ে চলচ্চিত্রপ্রেমী থেকে শুরু করে তাঁর সিনেমা জগতের সহকর্মীরা। অনীক দত্তর ভবিষ্যতের ভুত-এর মতোই অপরাজিত ডিস্ট্রিবিউশন নিয়েও আবার সমস্যায় পরিচালক অনীক দত্ত। সত্যজিৎ রায়ের জীবনী নিয়ে তৈরি সিনেমার জায়গা হবেনা নন্দনে! এই সিনেমার মুখ্য চরিত্রের অভিনেত্রী তৃণমূল নেত্রীর ভুমিকা নিয়ে ভীষণই কৌতূহল টলিপাড়ায়। বেশ কিছু অভিনেতা, পরিচালক সামাজিক মাধ্যমে তীর্যক মন্তব্য করছেন। কটাক্ষ করেছেন তাঁর ভূমিকা নিয়ে, প্রশ্ন একটাই, সায়নীর কী অবস্থান? সাংবাদ মাধ্যমে সায়নী বিতর্ক এড়িয়ে (অনীককে আড়ালে রেখে) স্পষ্ট ভাবে জানিয়েছেন, ছবিটা অনীক দত্তর ছবি হিসেবে নয়, সত্যজিৎ রায়ের ছবি হিসেবে দেখছি। সেই পরিচালক যিনি বাংলাকে বিশ্বের দরবারে তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন। তাঁর জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে অপরাজিত বানানো। সেই ছবি নন্দনে জায়গা পেল না। এটা আমায় সবচেয়ে বেশি আঘাত দিচ্ছে। নন্দন কর্তৃপক্ষের এই পদক্ষেপ মানতে খুবই কষ্ট হচ্ছে। আমি এবারেও অনীকদার পাশেই।সায়নীর আশঙ্কা যেখানে অনীক দত্তর মত স্বনাম ধন্য পরিচালকের সিনেমা স্থান পাছছে না। তখন তো উঠতি পরিচালকেরা সিনেমা করতে উৎসাহ হারাবেন। তাঁর হতাশ হয়ে পরবেন। অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র, টলিপাড়াই মুখরা হিসাবেই অধিক পরিচিত। অন্যায় দেখলেই তাঁর সামাজিক মাধ্যম গর্জে ওঠে, সেই শ্রীলেখা তাঁর সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন এখন আমি বিনীতভাবে অনুরোধ করব টলিউড ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সেই সমস্ত গন্য মান্যদের, যাঁরা গলা ফাঠিয়েছিলেন বাংলা ছবির পাশে দাঁড়ান... বলে এবার একটু দাঁড়ান দেখি অনিক দার পাশে, বাংলা ছবির পাশে, এই সিস্টেমের বিরুদ্ধে! তাহলে বুঝবো....! নাহলে জান তো, নিজের সত্যিকারের ভণ্ডামিকে জাহির করবেন না, যান আপনি রিল বানান গিয়ে। সব জানা আছে। দুঃখিত সকাল সকাল এরকম পোস্ট দিয়ে, মাথাটা গরম হয়ে যায় চারিদিকের অন্যায়গুলো দেখে দেখে, আর কিছু বেছে বেছে বিদ্রোহী দেখে। ওফফ...।বিশ্বের সিনেমাপ্রেমীদের কাছে গ্রাম বাংলার চালচিত্র সুনিপুন ভাবে প্রথম তুলে ধরেছিলেন সত্যজিৎ রায়। সারা বিশ্বে তাঁর অনুগামী -র সংখ্যা হাতে গুনে শেষ করা যাবে না। তাঁর সিনেমায় সুরারোপ করেছেন ওস্তাদ বিসমিল্লা খাঁ, বিলায়েত খাঁয়ের মত বিশ্ব বন্দিত শিল্পীরা। উঠতি বহু শিল্পী, পরিচালকের প্রেরণা তিনি। আজ শুক্রবার সেই সত্যজিৎ রায় আবার হলে প্রনেশ করলেন। অনীকের হাত ধরে। তিনিই এ বার কেমারার সামনে, তিনিই ছবির মূল চরিত্র। অনীক দত্ত তাঁর ছবিতে এই মহান চলচিত্র পরিচালককে ফ্রেম বন্দী করে তুলে ধরেছেন এক অজানা সত্যজিৎ কে। সেই অপরাজিত সত্যজিতের ঠাঁই নেই সরকারি প্রেক্ষাগৃহ নন্দন-এ।পরিচালক অনীক জানিয়েছেন, তিনি এর কারণ জানেন না। তবে সরকারই বিবৃতিতে জানা গেছে। ৬ মে নন্দন খুলেছে। বর্তমানে মোট চারটি সিনেমা সেখানে চলছে। বেশ কিছু ছবি সেই হলে দেখানোর অপেক্ষায় রয়েছে। খুব অল্পদিন চলার পর চারটি সিনেমাকে তুলে দেওয়া সম্ভব নয়। আধিকারিকরা আরও জানিয়েছেন, কার ছবি, সে বিচার সরকার করে না। বর্তমানে নন্দনে পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের ছবি অভিযান, সাংসদ দেবর কিশমিশ এবং সাংসদ মিমির মিনি চলছে। দুই তৃণমূল সাংসদ ও শাসক ঘনিষ্ট পরমব্রত- দের যাঁতাকলে পরে স্বয়ং যুব সভাপতি নকআউট?

মে ১৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে কেন আমন্ত্রণ জেটেনি? কী জানালেন শ্রীলেখা

সোমবার সন্ধ্যায় নজরুল মঞ্চে জমকালো ভাবে শুরু হল কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচিত্র উৎসব। কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ২৭তম বছরে পদার্পণ করল। গতবছর করোনা বিধিনিষধের কারণে এই উৎসব বাতিল করা হয়েছিল। তারকা-খচিত ২৭তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতার তথাকথিত বিশিষ্ট শিল্পীরা এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। স্বনামধন্য চিত্র পরিচালক সন্দীপ রায়, গৌতম ঘোষ এছাড়াও অভিনেতা রঞ্জিৎ মল্লিক, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, সাংসদ ও অভিনেত্রী নুসরত জাহান, শতাব্দী রায়, অভিনেত্রী ইন্দ্রাণী হালদার, অভিনেত্রী ও যুব তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি সায়নী ঘোষ, সদ্য নির্বাচিত তৃণমূল বিধায়ক বাবুল সুপ্রিয়-সহ অন্যান্যরা।এবছর বিশেষ অতিথি হিসাবে আমন্ত্রিত ছিলেন সদ্য আসানসোল উপ-নির্বাচনে জয়ী তৃণমূল সাংসদ সস্ত্রীক শত্রুঘ্ন সিনহা। বিগত কয়েকবছর ধরেই কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সুরটা একটা অন্য মাত্রায় বেঁধে দিয়ে গিয়েছিলেন বাংলার জামাই ভারতীয় চলচিত্রের শাহেনশা অমিতাভ বচ্চন। তাঁর উদ্বোধনী ভাষণ ছিল এক সুত্রে বাঁধা চলচিত্র ইতিহাসের মালা। চলচিত্র সম্বন্ধে সম্যক জ্ঞ্যান না থাকা ব্যাক্তিও ভারতীয় চলচিত্রের ইতিহাস অবলীলায় গলধকরণ করে ফেলতে পারতেন। এবছরের অনুষ্ঠানে তিনি উপস্থিত ছিলেন না, ছিলেন না বাংলার ব্র্যান্ড অ্যাম্বেসাডার শাহরুখ খান।মে মাসের প্রথম দিন পর্যন্ত চলবে চলচ্চিত্র উৎসব। চল্লিশটি দেশের মোট ১৬৩টি চলচিত্র দেখানো হবে শহরের ১০টি প্রেক্ষাগৃহে। ২৭তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ফোকাস কান্ট্রি ফিনল্যান্ড। ফিনল্যান্ডের সাতটি ছবি এবারের উৎসবে দেখানো হবে। এছাড়াও ভারতবর্ষের স্বাধীনতার হীরকজয়ন্তী পূর্তির জন্য কয়েকটি বিশেষ ছবি রাখা হয়েছে।  চিত্র প্রদর্শনীর মাধ্যমে শতবর্ষ উপলক্ষে সম্মান জানানো হচ্ছে দুই কিংবদন্তী সত্যজিৎ রায় ও চিদানন্দ দাশগুপ্তকে।ভেনিস চলচিত্র উৎসবউদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কলকাতার খ্যাত / অখ্যাত চিত্র ও টেলিভিশন দুনিয়ার নামী বা উঠতি অভিনেতা অভিনেত্রীদের উপস্থিতি দেখা গেলেও, উল্লেখযোগ্য অনুপস্থিতি শ্রীলেখা মিত্র। নব্বইয়ের দশকে যাঁর অভিনয় যাত্রা শুরু, প্রচুর জনপ্রিয় চলচ্চিত্র ও টিভি সিরিয়ালে তিনি সাফল্য ও যোগ্যতার সঙ্গে অভিনয় করেছেন। একাধিক পুরস্কারের বিজয়িনী শ্রীলেখা ভারতীয় চলচ্চিত্রকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিয়ে গেছেন। কিন্তু তাঁর প্রাণের শহর মনের শহরে অনুষ্ঠিত কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে আমন্ত্রণ-ই পেলেন না শ্রীলেখা! সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন অভিনেত্রী- লিখেছেন এটা কি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা? প্রশ্ন অভিনেত্রীর।শ্রীলেখা সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচিত্র উৎসব থেকে কোনও ইনভাইট আসেনি। এমনকি একটা ফোন পর্যন্ত না। এটা কি আমার পলিটিক্যাল ওপিনিয়ান-এর কারণে না অন্য কোনও অজ্ঞাত কারণ আছে? টিএমসি সরকার কি ভিন্ডিক্টটিভ মাইরি! অভিনেত্রী জনতার কথা কে জানিয়েছেন তাঁর বামপন্থী মনোভাবাপন্নতার জন্যই সংগঠকরা প্রতিহিংশাপরায়ণ হয়ে তাঁকে ব্রাত্য করেছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, তিনি সেই ভাবে তোষামোদ করতে পারেন না বলেই তাঁকে কাজ দেওয়া হয় না। শ্রীলেখা জনতার কথা কে আরও বলেন, সমগ্র বিশ্বের যেকোনও প্রান্তে শিল্পীর কোনও রাজনৈতিক সত্ত্বা দেখা হয় না। সেটা তাঁর একান্ত ব্যক্তিগত। কিন্তু এই চলচ্চিত্র উৎসবের মঞ্চের মানুষজনকে দেখে বোঝাই যাচ্ছে এটা তৃণমূল সরকারের প্রোগ্রাম।সামাজিক মাধ্যমে তাঁর কোনও এক গুনাগ্রাহীর প্রশ্নের প্রত্যুত্তরে তিনি লেখেন যে আন্তর্যাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের মঞ্চে উঠেছে তাঁর কাছে এই মঞ্চ...। তাঁর এই শ্লেষ থেকে এটুকু বুঝতে অসুবিধা হয় না, তিনি আমন্ত্রণ পেয়ে উপস্থিত হওয়ার থেকে তাঁর কাছে অনেক মূল্যবান তাঁর শিল্পী সত্তার সন্মান। কিছুদিন আগেই শ্রীলেখা মিত্র ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের রেড কার্পেটে হেঁটে এসেছেন। যে চলচিত্র উৎসবকে বিশ্বের সেরা তিন চলচ্চিত্র উৎসবের মধ্যে একটি ধরা হয়। তিনি নিউইয়র্ক চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা অভিনেত্রীর মনোনয়ন পেয়েছেন পরিচালক আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্তর ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ক্যালকাটা সিনেমার জন্য। আর কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে সেই স্বনামধন্য অভিনেত্রীকেই তাঁর নিজের রাজ্যের চলচ্চিত্র উৎসবে নিমন্ত্রণ করা হল না!নজরুল মঞ্চে অনুষ্ঠিত কলকাতা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে টলিপাড়ার ছোট বড় মাঝারি বহু তারকার দেখা মিললেও, শ্রীলেখার দেখা মেলেনি। শ্রীলেখা বরাবরই বামপন্থী রাজনীতির সমর্থক। এমনকী গত বিধানসভা নির্বাচনে চিত্র জগতের যখন ফুলমেলা চলছিল, কে কোন ফুল হাতে নেবে তাঁর প্রতিযোগিতা চলছিল, তখনও তিনি তাঁর মতাদর্শ আঁকড়ে কাস্তেকেই বেছে নিয়েছিলেন। শ্রীলেখা মিত্র ওই নির্বাচনে সারা বাংলা জুড়ে বাম শিবিরের হয়ে প্রচার চালিয়ে গিয়েছেন। তিনি বরাবরই প্রতিবাদী, শ্রীলেখা টলি-ইন্ড্রাস্ট্রির স্বজনপোষণ ও নানা রাজনৈতিক ইস্যু নিয়েও সরব হয়েছেন একাধিকবার। অভিজ্ঞ মহলের মতে, হয় তো তারই মাশুল গুণতে হল অভিনেত্রীকে!

এপ্রিল ২৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ভালো অভিনয়ের স্বীকৃতি, নিউ ইয়র্ক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা অভিনেত্রীর মনোনয়ন পেলেন শ্রীলেখা মিত্র

টলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। দীর্ঘ অভিনয় জীবনে অভিনয় দক্ষতার পরিচয় তিনি বার বার দিয়েছেন। যার পরিনাম স্বরূপ আজও দর্শকদের মনের মণিকোঠায় তিনি। এবার অভিনেত্রী ও তাঁর অগণিত ভক্তদের জন্য রয়েছে একটা বিশেষ সুখবর। আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্তর ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ক্যালকাটা ছবিতে অভিনয় করেছেন শ্রীলেখা। ভালো অভিনয়ের পুরস্কারও পেলেন তিনি। নিউ ইয়র্ক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা অভিনেত্রীর মনোনয়ন পেলেন। সুখবরটা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিনেত্রী লিখেছেন, হ্যাঁ ২০২২ নিউ ইয়র্ক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের জন্য সেরা অভিনেতা (মহিলা)-র মনোনয়ন পেয়েছি। মগ্ন শ্রীলেখাগতবছর থেকেই আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্তর এই ছবিটি নিয়ে আলোচনা চলছে। ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে এই ছবির প্রিমিয়ার হয়। প্রিমিয়ারে উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা। এবার এই ছবির জন্যই সেরা অভিনেত্রীর মনোনয়ন পেলেন তিনি। উল্লেখ্য, সম্প্রতি পরিচালক হিসাবে অভিষেক হয় অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রর। তাঁর পরিচালিত ছবি এবং ছাদ বেঙ্গালুরু কোলাজ চলচ্চিত্র উৎসব-এ দেখানো হয়। এই খুশির খবরের মধ্যেই আরও একটি খুশির খবর সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিলেন টলি হার্টথ্রব শ্রীলেখা।

এপ্রিল ২২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

"ভূতে বিশ্বাস করেন?" কেন বললেন পরিচালক অজিতাভ বরাট?

একটি নতুন ভূতের ছবি নিয়ে আসছেন পরিচালক অজিতাভ বরাট। এই ছবির নাম ভূতে বিশ্বাস করেন? ছবির গল্প লিখেছেন অজিতাভ বরাট এবং প্রিয়া ঘোষ।গল্পটা এরকম। রাতে একটা গ্রামের ফাঁকা রাস্তা। রাস্তার চারপাশ ফাঁকা, মাঝে মাঝে কিছু গাছ। রাস্তার মাঝখান দিয়ে ছুটে চলেছে একটা গাড়ি। গাড়িটা কিছুটা যেতে দাড়িয়ে পরে, নেমে আসে একজন মহিলা। মহিলা এদিক ওদিক দেখে, দেখে চারপাশ অন্ধকার, কোনো বাড়িঘর নেই। অগত্যা গাড়ির দিকে ফিরে গাড়িতে উঠতে যাবে, ঠিক এমন সময় চোখে পরে অনেক দূরে একটা আলো। একটা মাটির বাড়ি। পুরো জায়গাটায় ওই একটাই বাড়ি, আশে পাশে আর কোথাও কিছু নেই। গাড়ি থেকে একটা টর্চ বের করে মহিলা এগিয়ে যায় সেই বাড়িটার দিকে। বাড়িটার দিকে এগিয়ে বাড়িটায় নক করতেই বেড়িয়ে আসেন একজন ভদ্রলোক, উস্কো খুস্কো চুল, চোখে চশমা। শ্রীলেখা ও শিলাজিতপেশায় তিনি পরিচালক, ভদ্রলোক ওনাকে ভেতরে আসতে বলেন, এবং আশ্বস্ত করেন যে উনি এখানে সেফ। এরপর থেকেই শুরু হয় গল্পের কাহিনী। এই গল্পে প্রবাল ব্যানার্জির চরিত্রে অভিনয় করছেন অভিনেতা শিলাজিৎ মজুমদার, ও রুশার চরিত্রে অভিনয় করছেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র।চিত্রগ্রহণতিনটি ভূতের গল্পের প্রথমটিতে প্রধান চরিত্র একজন পারিবারিক চিকিৎসকের ভূমিকায় দেখা যাবে অভিনেতা বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী কে। পরের গল্পে রয়েছেন অভিনেতা কুশল চক্রবর্তী একজন মনচিকিৎসকের ভূমিকায় এছাড়াও মূখ্য চরিত্রে অভিনয় করছেন অনিন্দ্য পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবির শুটিংয়ের কাজ হয়েছে ৮ই এপ্রিল থেকে এবং তা চলবে ২২ শে মে পর্যন্ত। ছবির শুটিং হবে কলকাতা, বোলপুর ও উত্তরবঙ্গে জুড়ে।

এপ্রিল ১৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Sreelekha : করোনায় আক্রান্ত শ্রীলেখা মিত্র, খোঁজ নিতে গিয়ে খবর হলেন শ্রীজাত

করোনায় আক্রান্ত হলেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে এই খবর জানিয়েছেন টলিউড অভিনেত্রী। ফেসবুকে শ্রীলেখা লেখেন, পজিটিভ। আজ সন্ধ্যাবেলাতেই তাঁর করোনা রিপোর্টের ফল পজিটিভ আসে।এর আগে অভিনেত্রী সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছিলেন তাঁর জ্বর হয়েছে। যদিও জ্বরের মধ্যেও মনকে শক্ত রেখেছিলেন। শাল গায়ে একটা ছবি পোস্ট করে লিখেছিলেন, অনেকদিন পর বাংলা শাল গায়ে দিয়ে আবারও একটু বাবা মার টুম্পার সোনামণি হতে চাই। তিনি লাইভে জানিয়েছেন আমি ভ্যাকসিনের দুটি ডোজ নিয়েছি, আমি একদম-ই ভয় পাচ্ছিনা, শ্রীলেখা মিত্র এত সহজে মরবে না, অনেক জ্বালানো বাকি...।বিগত কয়েকদিনে অনেক টলি তারকাই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। সৃজিৎ মুখোপাধ্যায়, জিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, শ্রীজাত, রাজ চক্রবর্তী, শুভশ্রী, রুদ্রনীল, পরমব্রত, মিমি চক্রবর্তী, সোহম, দেব, রুক্মিণী, বনি একাধিক টলি তারকার কোভিড পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। এবার করোনায় আক্রান্ত হলেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র।শ্রীলেখা সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন আমি এমনিতে ঠিক আছি, সবাই খোঁজ নিচ্ছে ভালো লাগছে এই পোস্টে কবি গীতিকার সৃজাত লেখেন আমি খোঁজ নিলে পাছে খবর হয়, এই ভয়ে খোঁজ নিলাম না। মন্তব্যের উত্তর দিতে গিয়ে অসুস্থ শ্রীলেখা কাল-বিলম্ব না করে শ্রীজাত-র সামাজিক মাধ্যমে বর্তমান বিতর্ক-কে উসকে দিয়ে বলেছেন শ্রীলেখার আর মাননীয়ার খবর নেওয়া কি এক হলো পাগলা... যদিও শ্রীলেখা তাঁর খবর নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাতে কার্পন্য করেন নি। একটু উস্কে দিয়ে সুজয় প্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায় সুন্দর হেঁয়ালি করে লিখেছেন খোঁজ তো খবর হবেই শ্রীজাত এবং সেই খবর শ্রীবৃদ্ধি পাবে লিখতে গিয়ে।

জানুয়ারি ০৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Good Bye 2001: শেষ বেলার চিঠি, ২০২১ কে হাসি কান্নায় বিদায় জানালেন শ্রীলেখা

সময় ও স্রোত কারুর জন্য অপেক্ষা করে থাকেনা। বয়ে চলে নিজের ছন্দে। ছন্দপতন হওয়ার কোনও সুযোগ-ই তারা দেয়না। বর্তমান শব্দটা খুব আপেক্ষিক, টাইম-ফ্রেম-এ কোনোভাবেই-ই তাকে ধরা যায় না। মুহুর্তে সে অতীত হয়ে যায়। করোনা-র চোখ-রাঙ্গানী দিয়ে শুরু হয়ে ২০২১-র আজ শেষ দিন। বর্তমান-এর অস্বিত্ত্ব খুঁজতে খুঁজতেই ৩৬৪টা দিন শেষ! আমাদের প্রত্যেক-র জীবন থেকেই গোটা একটা বছর ডিলিট হয়ে গেলো। পিছন ফিরে সেই চলে যাওয়া ২০২১ কে সুখ-দুঃখের অনুভুতি মেশানো পত্র দিয়ে বিদায় জানালেন টলিউডের প্রথম সারির অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র (Sreelekha Mitra)। বছরের শেষ দিনের আগেই তা পোস্ট করলেন সামাজিক মাধ্যমে।চিঠিতে অভিনেত্রী লিখেছেনঃপ্রিয় ২০২১,আপনার চলে যাবার একদিন আগেই আপনাকে বিদায় জানাচ্ছি কারণ... কাল-এর কথা কাল-ই জানে। তুমি আমার বাবাকে তাঁর রাজকুমারীর কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে অনাথ করেছ, হ্যাঁ তাই, ক্ষমা-তো তোমাকে আমি করতেই পারবো না! তুমি ক্ষমার পাত্র-ও নও। আবার সেই তুমি-ই আমার শিল্পসত্তা কে যে জায়গায় প্রতিষ্টিত করেছ, ভাবিনি কোনওদিন আমি নিজেকে সেখানে দেখতে পাবো! তুমি আমাকে আন্তর্জাতিক স্তরে প্রশংসা পাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছো, হ্যাঁ, অবশ্যই ভেনিস চলচিত্র উৎসবের কথাই বলছি। যখন আমার আশেপাশের লোকজন আমার খামতি খুঁজে বেরিয়েছে (দেখুন আমি কিন্তু কিচ্ছু ভুলিনি)।তাই আজ আমার চোখে অশ্রু, অবয়বে এক বিষণ্ণতার ভাঁজ (কেউ কেউ বলে নাকি যে এটাই আমার সেরা অভিব্যাক্তি)। আমি বলি কে সেরা সেরা...... সোচনা কেয়া জো ভি হোগা দেখা যায়েগা এইটুকুই থাক.....চিঠিটা এখানেই শেষ করেছেন শ্রীলেখা। অনেক কিছুই ফিরিয়ে দেওয়ার আছে, এই ইঙ্গিত-ই কি দিলেন শ্রীলেখা? জীবন থেমে থাকেনা, সে তার নিজের গতিতেই বয়ে চলে, আমাদের শুধু মরুতীর্থ হিংলাজ যাত্রার মত পথের ক্লান্তি ভুলে স্নেহ ভরা কোলে তব- মাগো, বলো কবে শীতল হবো-কত দূর আর কত দূর বল মা গেয়ে যেতে হবে। কোভিড-১৯, ডেল্টা, ওমিক্রন আরও কত চোখরাঙ্গানী দেখতে হবে। তারই ফাঁক দিয়ে জীবন নামক বল টাকে গোলের দিকে নিয়ে যেতে হবে। কেউ পৌছাবে কেউ থেমে যাবে......সামাজিক মাধ্যমে অসম্ভব জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী সদাসর্বদা তাঁর সুখ-দুঃখ সকলের সাথে ভাগ করে নেন। ছায়াছবি-র মানুষ-জন যে শুধুই ছায়া বা ভিন গ্রহের এই ধারনা তিনি অনেকটাই ভেঙ্গে দিয়েছেন। তারাও আনন্দে হাসেন, দুঃখে কাঁদেন, ক্ষিদে পেলে খান। তার এই খোলা চিঠি এই বার্তা-ই দেই যে, কোন পরিস্থিতিতে-ই ভেঙ্গে পোড়না, ভালো সময় তোমাই দেখছে। কবির ভাষায় মেঘ দেখে কেউ করিস নে ভয় / আড়ালে তার সূর্য হাসে।প্রখ্যাত অভিনেতা সুজয় প্রসাদ চট্টোপাধ্যায় শ্রীলেখা-র এই সামাজিক মাধ্যমে-র পোস্ট এ লিখেছেন দেখা হবে নতুন গানের ভোরে, খুব-ই প্রাসঙ্গিক। কেটে যাক এই আস্থিরতা, নতুন বছরে এক নতুন সুর্য উঠুক।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২১
রাজ্য

Dog Show: সারমেয়-র টানে পশুপ্রেমী টলি অভিনেত্রী বর্ধমানে

রবিবার পুর্ব-বর্ধমানের মেমারি তে মেমারি কেনাল ক্লাব আয়োজিত এবং শিক্ষা বিকাশ সেবা ফাউন্ডেশন-র ঐশী সিংঘ রায়-র উদ্যোগের এক সারমেয়-র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। এই প্রদর্শনী তে নানা প্রকারের সারমেয় নিয়ে উপস্থিত হন দূর-দুরান্ত থেকে আগত সারমেয় প্রেমী-রা। এই শো দেখতে ঢল নামে মেমারি শহর সংলগ্ন বি-এড কলজের মাঠে। একপ্রকার মেলা বসে যায়।মেমারি কেনাল ক্লাব আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে-র প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট অভিনেত্রী ও পশু-প্রেমী শ্রীলেখা মিত্র। তাঁর সারমেয় প্রেম বহুজনবিদিত। সামাজিক মাধ্যমে তাঁর এই পথ সারমেয় ভালোবাসা নিয়ে বহুবার তাঁকে কটাক্ষ শুনতে হয়েছে। শ্রীলেখা মিত্র-র সামাজিক মাধ্যম ফলো করলেই মানুষ জানতে পারবে তিনি কোনও তথাকথিত নামজাদা সারমেয় পালন করেন না। তিনি পথ চলতি সারমেয় দের কেই তাঁর বাড়ির অন্দরমহলে স্থান দেন। তাদের লালন পালন করেন।আজকের এই অনুষ্ঠানে আসার পথে জাতীয় সড়কের পাসে এক ধাবা তে দাঁড়িয়ে সেখানকার কয়েকটি সারমেয় সাথে অন্তরঙ্গ মুহুর্তের ছবি পোস্ট করেন। তিনি সেখানে উল্লেখ করেন বর্ধমানে একটি অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে তার মাঝে আমার বন্ধুদের শুভেচ্ছা। এর থেকেই তাঁর সারমেয় প্রেম সমন্ধে কিছুটা ধারনা পাওয়া যায়।এ-হেন মানুষ কেই এই ধরনের অনুষ্ঠানের প্রধান অথিতি হিসাবে আমন্ত্রন যতার্থ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে জাতীয় সঙ্গীত-এ গলা মেলালেন, এবং শো-তে উপস্থিত থাকা এক সারমেয়-র জাতীয় সঙ্গীত কে সন্মান জানানোর মুহুর্তটি মনে রাখার মত। যদিও যান্ত্রিক গোলযোগের কারনে জাতীয় সঙ্গীত-র ছন্দ পতন হয়। অভিনেত্রী কোনও রকমে সামলে নেন।আজকের এই শোয়ে প্রধান অকর্ষন ছিলো এক ট্রেন দুর্ঘটনায় চলশক্তিরহিত পথভ্রষ্ট সোনামনি, সঞ্চিতা নামের এক গর্বিত কুকুর অভিভাবক এই অবলা পথভ্রষ্ট সারমেয় কে পালন করে জীবনদান করেন। অভিনেত্রী বলেন আমি এটা দেখে আরো অভিভূত কারণ এই সমস্ত মানুষ আমাদের লোমশ বন্ধুদের সম্পর্কে যে সচেতনতা ছড়াচ্ছে তাতে সাধারণ মানুষের অদের প্রতি ভালোবাসা কিছুটা হলেও বাড়বে। সঞ্চিতা বলেন হোক প্রতিবাদ, সবাই যেনো সতর্ক থাকে, ওদের ওপর কেউ যেন কেউ অত্যাচার করতে না পারে, সারমেয়দের ভালো রাখার আবেদন রাখেন।এই অনুষ্ঠানে বহু প্রজাতির সারমেয় অংশগ্রহন করে, তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য- জার্মান শেফার্ড, গ্রে হাউন্ড, ল্যাব্রেডার, তোসা ইনু, আমেরিকান বানডগ, কেনে কর্সো, রোডেশিয়ান রিংব্যাক, ডগো আর্জেন্টিনা, বোয়ের বোয়েল, গাল ডং, সেন্ট বার্নাড, আমেরিকান বুলডগ, বক্সার ইত্যাদি। এই সমস্ত সারমেয়রা প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করে।আয়োজক সংস্থা জনতার কথা কে জানান এই ধরণের অনুষ্ঠান করার উদ্দশ্যে একটাই যাতে সামান্য হলেও মানুষের এই সমস্ত অবলা পশুদের প্রতি সহমর্মিতা একটু হলেও বৃদ্ধি পায়। তখনই এই আয়োজনটাকে স্বার্থক বলে মনে করবো আমরা। মেমারি এলাকাই এই ধরণের আয়োজন এই প্রথম। প্রথম বারেই বেশ সাড়া ফেলে দেয়। বিশিষ্ট এক সাহিত্যিক বলেছিলেন কাউকে অমুকের বাচ্ছা বলে সেই পশু / জন্তু টার অপমান করবেন না। আর সাহিত্যিক দুলেন্দ্র ভৌমিকের বাজা তোরা রাজা যায় তে এক যায়গায় লিখেছেন, এক মানুষ দ্বারা আহত বাঘ তাঁর বাচ্ছা বাঘ কে বলছেন আমাদের বীরত্ব ফলাতে গেলে মানুষের চামড়া দেওয়ালে টাঙ্গিয়ে রাখতে হয় না। এর থেকে সপাট থাপ্পড় বোধহয় হাত দিয়েও মারা যায় না। তাই মানুষকে ডগ-শো করে সারমেয় / পশু প্রেম বাড়াতে হয়। যাক মুঠো টা তো খুলুক।।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Anxious Sreelekha: পিতৃ বিরহে ব্যকুল শ্রীলেখা

পিতা স্বর্গ পিতা ধর্ম: পিত্য হি পরমং তপ: পিতরি প্রীতিমাপন্নে প্রীয়ন্তে সর্বদেবতা।স্লোকটির সরলার্থ: পিতা স্বর্গ, পিতা ধর্ম, পিতা-ই শ্রেষ্ট তপস্যা। পিতা সন্তুষ্ট হলে দেবতারাও সন্তুষ্ট হন। মাত্র কয়েকমাস আগেই শ্রীলেখার বাবা গত হয়েছেন। কিন্তু তাঁর অস্ত্বিত্ব কিছুতেই তিনি ভুলতে পারছেন না। তাঁর সামাজীক মাধ্যমে পোস্ট-এ বাবার প্রতি যে আকুতি ফুটে উঠছে তা থেকে মনে হচ্ছে তিনি ভুলতেও চাইছেন না। কেন-ই বা চাইবেন / পারবেন? তাঁর জীবনের অনেকটা জুড়েই আছেন তাঁর বাবা। তিনি বাবাকে আজও সকালবেলা চা খেতে দেন, তাঁর বিশ্বাস তিনি অর্থাৎ শ্রীর বাবা তাঁর এই নিবেদন গ্রহণ করবেন। যেন হটাৎ কবিরের মত জলদগম্ভীর গলায় গেয়ে উঠবেন এক কাপ চায়ে আমি তোমাকে চায়। তাঁর বিভিন্ন বক্তব্য থেকে বোঝা যায় তাঁর এই ধৃঢ়চেতা মানসিকতা-র অনেকটাই তিনি তাঁর বাবার কাছ থেকে পেয়েছেন।আরও পড়ুনঃ মেয়ের জন্মদিনে স্মৃতিতে ভাসলেন শ্রীলেখাতিনি সামাজিক মাধ্যমে বাবার ছবি পোস্ট করে লিখেছেন ঠাকুরের সিংহাসনের ওপরে টাঙ্গিয়েছি, এটা পড়ে হয়ত নেটিজেনরা বলতেই পারেন ভগবানের ওপরে? হিন্দু ধর্মের ভাবাবেগকে আঘাত করতেই তিনি একথা লিখেছেন। হ্যাঁ তিনি শ্রীলেখা! বাঁধাগতের জীবনের ধরাছোঁয়ার বাইরে গিয়ে যিনি টালিগঞ্জের কোনো এক ভাগ্যনিয়ন্তা অভিনেতার বিরুদ্ধে বলতে পারেন ... প্রেমপ্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় তিনি বাংলা ছবিতে নায়িকা চরিত্রে বঞ্চিত হন। সোজা কথাটা সোজা ভাবে অকপটে বলতে পারেন বলেই তিনি সামাজিক মাধ্যমে এত জনপ্রিয়।শ্রীলেখা কয়েকদিন আগেই সামাজিক মাধ্যমে লিখেছিলেন, তিনি কোনও ভাবে শুনেছেন বা জেনেছেন যে তাঁকে নিয়ে মেকআপ-রুমে চর্চা হচ্ছিলো তিনি কেনও তাঁর সব বিষয় সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেন আর মিডিয়াই বা কেনও সেই জিনিস নিয়ে খবর করেন? তিনি সামাজিক মাধ্যমে অনুরোধ করেছেন মিডিয়ার লোকজন যেনও বাকিদের নিয়েও লেখেন। তাঁর সরল যুক্তি আমি কি করছি কি লিখছি এত দেখার কি আছে বুঝিনা বাপু, আমি রিল থেকে রিয়েল মানুষের সাথে কানেক্ট করি, ... বুঝে নিন, বাকিটা ব্যাক্তিগত। আসলে আম জনতার কৌতুহল এখন শুধুমাত্র কোনও এক অভিনেতা বা অভিনেত্রী-র অভিনয়-এই সীমাবদ্ধ নেই এই মিডিয়ার যুগে। তাঁরা ভয়ঙ্কর উৎসুক তাঁদের স্বমন্ধে আরও অনেক কিছু জানতে। তাঁরা কি খায়, কি পড়ে, কি প্রসাধন ব্যবহার করে আরও আরও অনেক কিছু... শ্রীলেখার ভাষায় বাকিটা ব্যাক্তিগত। সাধারণ মানুষের তাদের-ই কানেক্ট করতে পারে, যারা তাঁদের কানেক্ট করে। শ্রী সেটা পাড়েন।আরও পড়ুনঃ জনতার কথার মুখোমুখি অভিনেত্রী শ্রেষ্ঠাশ্রীলেখা তাঁর প্রথম জীবনে তাজ হোটেলে যখন কর্মরত, চিত্র-পরিচালক দুলাল লাহিড়ী তখন বাংলা ধারাবাহিক বালিকার প্রেম এ একটি চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব দেন তাকে। আরও অনেক বাংলা সিরিয়ালে অভিনয় করার পর, ১৯৯৮ এ বাসু চ্যাটার্জীর হঠাৎ বৃষ্টি তে তিনি অভিনয়ের সুযোগ পান। এই ছবির সাফল্য তাঁকে বাংলা ছবির দর্শকের হেঁসেলে পৌছে দেয়। আর ২০০৩-এ আমীরের সাথে ঠান্ডা পানীয়-র বিজ্ঞাপন এ মেরে প্যারি বিন্দু... তাঁকে জাতীয় পরিচিত দিয়ে দেয়। চিত্র জগতের অনেকের-ই মত তাঁর সরল সোজাসাপটা আকপট আপসহীন আচরণ হয়ত তাঁকে যোগ্যতা অনুযায়ী টলিউড সেই ভাবে মূল্যায়ন করেনি। তিনি কোনও অন্যায়ের-ই সাথেই কোনও ভাবে আপস করেন নি। তাঁর অপসহীন লড়াই আজও চালিয়ে যাচ্ছেন। ২০২১ বিধানসভা বিধানসভা ভোটের আগে ভরাকোটালের মত টলিউডি অভিনেত্রী/অভিনেতারা যখন ফুলবদল করে ফেললেন, তখনও শ্রীলেখা তাঁর আইডিওলোজি বদলাননি। তাঁর সপাট যুক্তি ছিলো মূল্যবোধ কেনা যায় না।আরও পড়ুনঃ ডেটিং শো তে বর্তমান প্রজন্মের কথা বলবে উরিবাবাসত্যিই তাই, সেই মূল্যবোধ কে আঁকড়ে ধরেই তিনি দেবতার উর্ধাসনে পিতা কে বসাতে পাড়েন। কোভিড আক্রান্তদের জন্য অক্সিজেন জোগাড় করতে পারেন, রাস্তার সারমেয় দের পুত্র স্নেহ দিতে পারেন, এর জন্য তাঁকে কোনও এনজিও সাহায্য নিতে হয় না। সেই সারমেয়দের জন্য তাঁকে আবাসনে অপমানিত লাঞ্ছিত অবধি হতে হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার না করলে কি সাধারণ মানুষ এসব জানতে পাড়তেন? না, শ্রী-র তথাকথিত শুভাকাঙ্খি সহকর্মী রা পিএনপিসি (পর নিন্দা পর চর্চা) করার সুযোগ পেতেন? শ্রীলেখা আপনি গলা খুলে গাইতেই পাড়েন আমাকে আমার মত থাকতে দাও...... বা আমার যেমন বেনী তেমনি রবে চুল ভেজাবো না......আরও পড়ুনঃ আমি তখন অষ্টাদশীর ছোঁওয়ায়, টিউশন শেষ করে বাড়ি ঢুকছেন শ্রীলেখা!

ডিসেম্বর ১২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Sreelekha Mitra : 'আমি তখন অষ্টাদশীর ছোঁওয়ায়', টিউশন শেষ করে বাড়ি ঢুকছেন শ্রীলেখা!

টিউশন শেষ করে বাড়ি ঢুকছেন শ্রীলেখা মিত্র। সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের ছবিসহ এমনই পোস্ট করলেন শ্রীলেখা। ছবিতে দেখা যাচ্ছে হালকা সেজে হাসিমুখে টলি অভিনেত্রী। আর তার এই পোস্ট মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল। অনেক মজার মজার কমেন্ট ও এসেছে। একজন কমেন্ট করেছেন রাস্তায় ফচকে কোনও ছোঁড়া সিটি মারেনি? উত্তরে শ্রীলেখার কুশলী জবাব কানে ইয়ারফোন ছিল শুনতে পাইনি। একজন আবার কমেন্ট করেছেন টাইমিংস বলো সাইকেল নিয়ে দাঁড়াবো। জবাবে অভিনেত্রী হাসির ইমোজি দিয়ে রিয়্যাক্ট দিয়েছেন তিনি। জনৈক এক ভক্ত তাকে কোন ক্লাসে পড় জিগ্যেস করলে তাঁর উত্তরে তিনি জানান ক্লাস টেন। আরজে রয় নামে এক ব্যাক্তি কমেন্ট করেছেন এ তো হাজার কবিতা, বেকার সবই তা, যার কথা কেউ বলে না--সেই মেয়ে। এরকম আরো অনেক কমেন্ট এসেছে তার পোস্টে। কিছু কিছু কমেন্টে শ্রীলেখা-র প্রত্যুতপন্নমতিত্ব দেখে একটা ভুল ধরনা সাধারন মানুষের কেটে যেতে বাধ্য, সেটা হল সব সুন্দরি-ই বোকা নয়। তিনি তার রসিক মনের পরিচয় এর আগেও বার বার দিয়েছেন। ক্লাস টেন-এ পড়েন এই কথাটাতেই বোঝা যায়, তিনি কখনই তার মনের বয়স টাকে বাড়তে দেননি।তাঁর এই রসিক, প্রতিবাদী, শিল্পমনস্ক মনোভাবের জন্যই, শ্রীলেখা মিত্র সোশ্যাল মিডিয়ায় যা পোস্ট করেন তাই সুপারহিট। এবার আরো একটি পোস্ট নেটিজেনদের নজর কাড়ল।

ডিসেম্বর ১০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Sreelekha Mitra : মেয়ের জন্মদিনে স্মৃতিতে ভাসলেন শ্রীলেখা

অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রর জীবনের আজকের দিনটা স্মরণীয় দিন। ১৬ বছরে পা দিল টলি অভিনেত্রীর মেয়ে ঐশী। এই বিশেষ দিনে মেয়ের সঙ্গে একাধিক ছবি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করেছেন তিনি।মায়ের সঙ্গে হাসিখুশি মুডে দেখা যাচ্ছে তার মেয়ে ঐশী কে। একটা ছবিতে দেখা যাচ্ছে তার ছবি তুলে দিয়েছে তার বাবা। শ্রীলেখার এই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট হওয়ার পর অনেকেই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। একজন লিখেছেন অনেক শুভকামনা ও আশীর্বাদ। একজন লিখেছেন হ্যাপি বার্থডে লিটল ওয়ান। আর একজনের পোস্টে লেখা অনেক আদর করে দিলাম ভাইরাসকে।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য ২০১৩ সালে শিলাদিত্য সান্যালের সঙ্গে ডিভোর্স হয়ে যাওয়ার পর মেয়েকে একাই মানুষ করছেন শ্রীলেখা। ঐশী এবার বোর্ডের পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর মধ্যেই চলে এল তার লাইফে বিশেষ দিন।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Srijato : 'তুমি তো আমার পাশেই শুয়ে থাকবে' শ্রীজাত কে কেন এমন বললেন শ্রীলেখা?

সকাল সকাল উঠতে হবে শ্রীলেখা মিত্রকে। কারণ তার গন্তব্য হায়দরাবাদ। আর্লি মর্নিং ফ্লাইট ধরার তাড়া রয়েছে অভিনেত্রীর। রাত একটা নাগাদ অভিনেত্রী ফেসবুকে পোস্ট করেন, আর্লি মর্নিং ফ্লাইট, ঠিক ভোর ৩টের সময় কেউ ফোন করে জাগিয়ে দিও। পোস্ট করার পরেই কমেন্টের বন্যা বইতে শুরু করেছে।নেটিজেনদের মতো পোস্টে কমেন্ট করেন শ্রীজাত। কবি লেখেন, তুমি আমায় আড়াইটে নাগাদ জাগিয়ে দিও, আমি তিনটে নাগাদ তোমাকে কল করব কেমন? তবে শ্রীলেখাও তার কমেন্টে মজার উত্তর দিয়েছেন।শ্রীজাতর উদ্দেশে তাঁর বার্তা, তুমি তো আমার পাশেই শুয়ে থাকবে! ওহ বউ জানে না ধরা পড়ে গেলে। স্বাভাবিকভাবেই শ্রীলেখার কথায় আজব গ্যাঁড়াকলে পড়ে যান শ্রীজাত। তিনি লেখেন, বোঝো! কল করতে গেলে পাশে শুতে হবে কেন? সে তো আর কল থাকবে না তাহলে! গ্যাঁড়াকল হয়ে যাবে।

নভেম্বর ২৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Sreelekha : বিয়ের ছবি পোস্ট করে স্মৃতির পাতা ওল্টালেন শ্রীলেখা

টলিউডের অন্যান্য অভিনেত্রীদের থেকে শ্রীলেখা মিত্র একটু আলাদা টাইপের। সহজ কথা সহজভাবে বলতে পছন্দ করেন তিনি। তার জন্য অনেকবার ট্রোলড হতে হয়েছে তাকে। কিন্তু সেইসব ট্রোলিংকে পরোয়া করেন না তিনি।২০ নভেম্বর তারিখটি শ্রীলেখা মিত্রর জীবনে একটা বিশেষ দিন হয়ে রয়েছে। ১৮ বছর আগে শিলাদিত্য সান্যালের সঙ্গে চার হাত এক হয় তার। শনিবার ছিল সেই বিশেষ দিন। তবে এই দিনটি তার কাছে আর বিশেষ অর্থ বহন করে আনে না। কারণ ২০১৩ সালে এই দিনেই দুজনের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। তার ওপর তার বাবার জন্মদিনও ২০ নভেম্বর। সদ্যই বাবাকে হারিয়েছেন শ্রীলেখা। তাই তার খুব মনখারাপ। সেই কথাই সোশ্যাল মিডিয়ায় সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেন তিনি। কনের সাজে একটা ছবি পোস্ট করে তিনি লিখেছেন,কিছু কিছু দিন জীবনে এমন দাগ কেটে যায় বা এমন ক্ষত দিয়ে যায়, যা চিরতরে থেকে যায়। একইসঙ্গে সেই ক্ষত তা যন্ত্রণার আবার ভালোলাগারও। ২০০৩ সালের এমনই এক ২০ নভেম্বর বিয়ে করেছিলাম। আর এই ২০ নভেম্বরই আমার বাবার জন্মদিন। দুটো দিনই আজ আমার জীবনে অতীত। বিয়েও অতীত হয়েছে আর বাবাও ছেড়ে চলে গিয়েছে। আমি শুধু স্মৃতির পাতা ওল্টাচ্ছি।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে শ্রীলেখার বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যাওয়ার পর অভিনেত্রী এখন তার মেয়ে ঐশীর সঙ্গে থাকেন। তবে প্রাক্তন স্বামীর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছেন।

নভেম্বর ২১, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

চেয়ার নিয়ে বিধানসভায় নাটক! মমতার আসনে বসতে রাজি নন ঋতব্রত, কেন?

বিধানসভায় নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের আবহে বুধবার বিরোধী দলনেতার ঘর ঘিরে তৈরি হল এক অন্যরকম পরিস্থিতি। বিদ্রোহী বিধায়কদের সঙ্গে নিয়ে বিরোধী দলনেতার ঘরে প্রবেশ করেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভার সচিবালয়ের অনুমতি পাওয়ার পর তাঁকে ঘরের দায়িত্বও বুঝিয়ে দেওয়া হয়। তবে ঘরে ঢোকার পর একটি ঘটনা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।ঘরে থাকা একটি চেয়ারে বসতে গেলে তাঁকে জানানো হয়, সেটি একসময় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যবহৃত চেয়ার। সেই কথা শুনেই ওই আসনে বসতে অস্বীকার করেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। উপস্থিতদের কাছে তিনি অন্য একটি চেয়ার আনার অনুরোধ জানান। পরে তাঁর জন্য বিকল্প আসনের ব্যবস্থা করা হয়।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে নানা ব্যাখ্যা সামনে আসছে। অনেকের মতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি ব্যক্তিগত শ্রদ্ধা প্রদর্শনের কারণেই তিনি ওই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ হেভিওয়েট-র ওয়েট লস, ভাইপো-র মত হেলমেট পরে আদালতে বর্ধমানের কাকাবুধবারের সাংবাদিক বৈঠকেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে একাধিক মন্তব্য করেন ঋতব্রত। তিনি জানান, তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান এবং বর্তমান পরিষদীয় লড়াইয়ের লক্ষ্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করা নয়। বরং দলের ভবিষ্যৎ পথচলায় তিনি চাইলে পরামর্শদাতার ভূমিকা পালন করতে পারেন বলেও ইঙ্গিত দেন।ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, বিধানসভায় যে নতুন পরিষদীয় গোষ্ঠী তৈরি হয়েছে, তার সঙ্গে কিছু নেতার মতপার্থক্য থাকলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি তাঁদের সম্মান অটুট রয়েছে। তিনি আরও জানান, দলের ভবিষ্যৎ দিশা নিয়ে মমতার সঙ্গে আলোচনা করার ইচ্ছাও রয়েছে তাঁদের।উল্লেখ্য, গত বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দ্রুত পরিবর্তন দেখা যায়। একাধিক বিধায়কের অবস্থান বদল এবং নতুন রাজনৈতিক সমীকরণকে কেন্দ্র করে শুরু হয় জোর জল্পনা। সেই আবহেই বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার পদ নিয়ে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ সই জাল বিতর্কে চাপ বাড়ছে অভিষেকের! গ্রেফতারির আশঙ্কায় হাইকোর্টে ছুটলেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতাবুধবার সাংবাদিক বৈঠকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, তাঁদের রাজনৈতিক যাত্রা এখন নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। অন্যদিকে তৃণমূলের মূল শিবিরের নেতারা দাবি করেছেন, দল এবং দলের নেতৃত্বের পাশে এখনও বিপুল সংখ্যক সমর্থক রয়েছেন।সব মিলিয়ে বিরোধী দলনেতার ঘরে একটি চেয়ারকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া ঘটনাই এখন রাজনৈতিক মহলের অন্যতম আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুন ০৩, ২০২৬
রাজ্য

সই জাল বিতর্কে চাপ বাড়ছে অভিষেকের! গ্রেফতারির আশঙ্কায় হাইকোর্টে ছুটলেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতা

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে তীব্র বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে বিধানসভার তথাকথিত সই জাল কাণ্ড। এই ঘটনায় এবার সরাসরি আইনি চাপে পড়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তদন্তের মুখে পড়ে গ্রেফতারির আশঙ্কায় তিনি কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন এবং একই সঙ্গে সিআইডি-র তদন্ত প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের করা আবেদনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য যে নোটিশ পাঠানো হয়েছে, তা আইনসম্মত নয়। বিচারপতি অপূর্ব সিংহ রায়ের বেঞ্চ তাঁর আবেদন গ্রহণ করে মামলাটি শুনানির অনুমতি দিয়েছে। আদালত সূত্রে খবর, আগামী শুক্রবার এই মামলার গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হতে পারে।সমস্ত বিতর্কের সূত্রপাত বিধানসভায় তৃণমূলের সংসদীয় দলের একটি চিঠিকে ঘিরে। ওই চিঠিতে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা, অসীমা পাত্র ও নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডেপুটি লিডার এবং ফিরহাদ হাকিমকে চিফ হুইপ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। চিঠিটি বিধানসভার স্পিকারের কাছে জমা পড়ার পর তা যাচাই করতে গিয়ে একাধিক অসঙ্গতি সামনে আসে।তদন্তে উঠে আসে, তালিকাভুক্ত ৭০ জন বিধায়কের মধ্যে অন্তত ১৪ জনের ক্ষেত্রে স্বাক্ষরের জায়গায় শুধুমাত্র বড় হাতের অক্ষরে নাম লেখা রয়েছে। আরও কয়েকজন বিধায়কের সই নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। অভিযোগ, তাঁদের অনুমতি বা উপস্থিতি ছাড়াই স্বাক্ষর দেখানো হয়েছে। এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই বিষয়টি রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে।আরও পড়ুনঃ মূল উপড়ে তৃণ ভূপতিত! পরিষদীয় দলের নিয়ন্ত্রণ বিদ্রোহীদের হাতে, বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন ঋতব্রতঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে রাজ্য সরকার তদন্তভার সিআইডি-র হাতে তুলে দেয়। তদন্ত শুরু হওয়ার পর গত শনিবার সিআইডি-র একটি বিশেষ দল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে গিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিশ দেয়। সেই নোটিশে নির্দিষ্ট দিনে ভবানী ভবনে হাজির হওয়ার নির্দেশ ছিল। কিন্তু নির্ধারিত দিনে হাজিরা না দিয়ে অভিষেক তদন্তকারী সংস্থার কাছে অতিরিক্ত সময় চান। এরপরই তিনি আইনি পথে এগিয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন।এই মামলার রাজনৈতিক দিকটিও যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। সম্প্রতি এক সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, তৃণমূলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাই প্রথম এই জাল স্বাক্ষরের অভিযোগ তুলে বিধানসভার স্পিকারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পরপরই দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে ওই দুই বিধায়ককে তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বহিষ্কার করা হয়।আরও পড়ুনঃ হেভিওয়েট-র ওয়েট লস, ভাইপো-র মত হেলমেট পরে আদালতে বর্ধমানের কাকারাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ঘটনা শুধুমাত্র একটি প্রশাসনিক বা সাংগঠনিক বিতর্ক নয়; বরং এটি রাজ্যের শাসকদলের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার লড়াই এবং নেতৃত্বের প্রশ্নকেও সামনে এনে দিয়েছে। একদিকে তদন্তের জাল ক্রমশ বিস্তৃত হচ্ছে, অন্যদিকে আদালতের দ্বারস্থ হয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কার্যত আইনি লড়াইয়ের ময়দানে নেমেছেন।এখন সকলের নজর আগামী শুক্রবারের হাইকোর্ট শুনানির দিকে। আদালত সিআইডি-র তদন্তে হস্তক্ষেপ করে কি না, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও অন্তর্বর্তী সুরক্ষা পান কি না, এবং এই বিতর্কের রাজনৈতিক অভিঘাত কতদূর গড়ায়তা নিয়েই জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে।

জুন ০৩, ২০২৬
রাজ্য

'হেভিওয়েট'-র ওয়েট লস, ভাইপো-র মত হেলমেট পরে আদালতে বর্ধমানের 'কাকা'

বর্ধমানের রাজনীতিতে একসময় যাঁর নাম উচ্চারণ করতেই বিরোধী শিবিরে চাপা উত্তেজনা তৈরি হতো, সেই খোকন দাসের বর্তমান পরিস্থিতি যেন একেবারেই ভিন্ন ছবি তুলে ধরছে। তোলাবাজি, হামলা, মারধর এবং প্রাণনাশের হুমকির মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়ার পর মঙ্গলবার বর্ধমান আদালতে তাঁকে এমন এক অবস্থায় দেখা গেল, যা রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে। জনরোষের আশঙ্কায় মাথায় হেলমেট পরে, পুলিশের কড়া নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে আদালতে হাজির হতে হল বর্ধমান দক্ষিণের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ককে।একসময় বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা এলাকায় খোকন দাসের রাজনৈতিক প্রভাব ছিল যথেষ্ট উল্লেখযোগ্য। স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে তাঁকে তৃণমূলের অন্যতম শক্তিশালী মুখ হিসেবে ধরা হতো। তবে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবির পর থেকেই তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান দুর্বল হতে শুরু করে। সেই পরিস্থিতির মধ্যেই একের পর এক অভিযোগ সামনে আসতে থাকে।গত ২৯ মে বর্ধমান থানায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ দায়ের হয়। অভিযোগকারীদের দাবি, বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চালানো, মোটা অঙ্কের টাকা তোলা দাবি করা, এমনকি আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে ভয় দেখানোর ঘটনাতেও খোকন দাসের প্রত্যক্ষ ভূমিকা ছিল। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই তিনি আত্মগোপন করেছিলেন বলে পুলিশ সূত্রের দাবি।তদন্তে নেমে বর্ধমান থানার পুলিশ উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে তাঁর অবস্থানের খোঁজ পায়। এরপর গত ৩১ মে সেখান থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ট্রানজিট রিমান্ডে সোমবার রাতে তাঁকে বর্ধমানে নিয়ে আসা হয়। মঙ্গলবার তাঁকে আদালতে পেশ করে পুলিশ নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানায়, যাতে অভিযোগগুলির বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত করা যায়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মামলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগটি ২০২৫ সালের ৮ জুনের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে। অভিযোগ অনুযায়ী, বর্ধমানের কাঞ্চননগর এলাকায় একটি বাড়িতে বিজেপি কর্মীরা বৈঠক করছিলেন। সেই সময় খোকন দাসের নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি সেখানে গিয়ে হামলা চালায় এবং কয়েকজন কর্মীকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।অভিযোগ আরও গুরুতর হয়ে ওঠে পরবর্তী ঘটনাকে ঘিরে। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীরা চিকিৎসার জন্য বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গেলে সেখানেও তাঁদের উপর পুনরায় হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। শুধু মারধরই নয়, ১০ লক্ষ টাকা তোলা দাবি এবং টাকা না দিলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও উঠে এসেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, ভয় দেখাতে আগ্নেয়াস্ত্রও প্রদর্শন করা হয়েছিল।এই সমস্ত অভিযোগের তদন্তে নেমে পুলিশ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছে। তদন্তকারীদের মতে, অভিযোগগুলির গুরুত্ব বিচার করে ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।অন্যদিকে, খোকন দাসের গ্রেপ্তারিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোরও তীব্র হয়েছে। জেলা বিজেপি নেতৃত্ব দাবি করেছে, দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় তোলাবাজি, সিন্ডিকেট রাজ এবং রাজনৈতিক সন্ত্রাসের অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। যদিও এই সমস্ত অভিযোগ নিয়ে আদালতে এখনও চূড়ান্ত রায় হয়নি এবং তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান।মঙ্গলবার আদালতে তাঁকে পেশ করা ঘিরে যাতে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়, তার জন্য আদালত চত্বর ও বর্ধমান থানা এলাকায় নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। জেলা পুলিশের পাশাপাশি মোতায়েন ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও। আদালত চত্বরে সাধারণ মানুষের কৌতূহল ছিল চোখে পড়ার মতো।সব মিলিয়ে, যে নেতা একসময় এলাকায় নিজের রাজনৈতিক প্রভাবের জন্য পরিচিত ছিলেন, আজ তাঁকেই জনরোষের আশঙ্কায় মাথায় হেলমেট পরে আদালতে যেতে হওয়ায় বর্ধমানের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে এখন নজর সকলের।

জুন ০৩, ২০২৬
কলকাতা

পুরসভা, সিআইডির পর এবার অভিষেকের বাড়িতে ইডি! নতুন করে চাঞ্চল্য রাজ্য রাজনীতিতে

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে একাধিক বিতর্ক সামনে এসেছে। বাড়ির নির্মাণ সংক্রান্ত অভিযোগ থেকে শুরু করে বিভিন্ন তদন্তসব মিলিয়ে রাজনৈতিক মহলে তাঁকে নিয়ে জোর চর্চা চলছে। এর মধ্যেই বুধবার বিকেলে তাঁর কালীঘাটের বাড়িতে পৌঁছলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা।সূত্রের খবর, বিকেল নাগাদ দুই ইডি আধিকারিক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যান। তাঁদের হাতে একটি সমন সংক্রান্ত নথি ছিল বলে জানা গিয়েছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, চলমান তদন্তের অংশ হিসেবেই এই নোটিস পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।প্রথমে তদন্তকারী আধিকারিকরা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্য একটি ঠিকানায় যান। পরে জানতে পারেন তিনি সেখানে থাকেন না। এরপর তাঁরা কালীঘাটের বাড়িতে পৌঁছন। সেখানে নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং প্রয়োজনীয় নথি পৌঁছে দেন বলে সূত্রের দাবি।তবে এই প্রথম নয়। এর আগেও একাধিকবার বিভিন্ন তদন্তের প্রয়োজনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। অতীতে তাঁকে এবং তাঁর স্ত্রীকে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। বিভিন্ন আর্থিক অনিয়ম এবং দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলার তদন্তে তাঁদের নাম উঠে এসেছিল বলে তদন্তকারী সংস্থার দাবি।নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তেও অতীতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। সেই সময় তাঁর সঙ্গে যুক্ত একটি সংস্থার অফিসেও তল্লাশি চালানো হয়। তদন্তকারী সংস্থাগুলি বিভিন্ন নথি ও তথ্য সংগ্রহ করে জিজ্ঞাসাবাদ চালায়।অন্যদিকে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের পক্ষ থেকে বারবার দাবি করা হয়েছে যে, তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাঁরা আইন মেনেই সমস্ত তদন্তে সহযোগিতা করেছেন বলেও দাবি করা হয়েছে।বুধবারের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। তদন্তের পরবর্তী ধাপে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয় এবং সমনের বিষয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিক্রিয়া কী হয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের।

জুন ০৩, ২০২৬
রাজনীতি

'মূল' উপড়ে 'তৃণ' ভূপতিত! পরিষদীয় দলের নিয়ন্ত্রণ বিদ্রোহীদের হাতে, বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন ঋতব্রত

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মানচিত্রে বুধবারের দিনটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠল। দীর্ঘ টানাপোড়েন, অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ এবং বিধানসভার সই-কাণ্ডকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া বিতর্কের পর অবশেষে তৃণমূল কংগ্রেসের পরিষদীয় দলের নিয়ন্ত্রণ কার্যত বিদ্রোহী শিবিরের হাতে চলে গেল। বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর তাঁর জন্য নির্ধারিত কক্ষও খুলে দেওয়া হয়। স্পিকার রথীন্দ্র বসু আনুষ্ঠানিকভাবে সেই ঘরের চাবি তুলে দেন ঋতব্রতের হাতে।বিধানসভা চত্বরে দাঁড়িয়ে ঋতব্রত দাবি করেন, তৃণমূলের টিকিটে নির্বাচিত ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে অন্তত ৬০ জন তাঁর নেতৃত্বের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। বর্তমানে ৫৮ জন বিধায়কের লিখিত সমর্থন তাঁদের হাতে রয়েছে বলেও তিনি জানান। আরও দুই বিধায়ক রাজ্যের বাইরে থাকলেও তাঁদের সমর্থন রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। সেই হিসেবে তৃণমূল পরিষদীয় দলের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যই এখন বিদ্রোহী শিবিরের সঙ্গে রয়েছেন বলে তাঁর বক্তব্য।নতুন বিরোধী দলনেতা ঘোষণা করেন যে, বিধানসভায় মুখ্যসচেতকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আখরুজ্জামানকে। পাশাপাশি ডেপুটি লিডার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জাভেদ আহমেদ খান, সাবিনা ইয়াসমিন, শিউলি সাহা এবং সন্দীপন সাহা। এই সংক্রান্ত সমস্ত নথি ও সমর্থনের চিঠি স্পিকারের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।তবে রাজনৈতিক সংঘাতের মধ্যেও ঋতব্রত এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন। তিনি বলেন, তাঁদের লড়াই কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়, বরং গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রশ্নে। সেই কারণেই তিনি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরিষদীয় দলের পরামর্শদাতা হওয়ার আহ্বান জানাবেন। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন যে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁদের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক দূরত্ব এখন অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে।ঋতব্রতের বক্তব্যে উঠে আসে বিরোধী রাজনীতির নতুন রূপরেখাও। তিনি বলেন, সরকারের ভুলের সমালোচনা যেমন করা হবে, তেমনই জনস্বার্থে গৃহীত ইতিবাচক সিদ্ধান্তের প্রশংসাও করা হবে। তাঁর কথায়, মানুষ আমাদের বিরোধী আসনে বসিয়েছে। সেই দায়িত্ব পালন করাই আমাদের কাজ। আমরা দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক বিরোধী শক্তি হিসেবে কাজ করব।এই নাটকীয় পরিস্থিতির সূত্রপাত হয়েছিল বিধানসভার বিরোধী দলনেতা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে। তৃণমূলের তরফে বর্ষীয়ান নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার জন্য যে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল, তা নিয়েই বিতর্ক তৈরি হয়। অভিযোগ ওঠে, সেই প্রস্তাবে একাধিক বিধায়কের স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। বিদ্রোহী শিবিরের অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি সামনে আসে এবং পরবর্তীতে হেয়ার স্ট্রিট থানায় এফআইআর দায়ের হয়। বর্তমানে ঘটনার তদন্ত করছে সিআইডি। তদন্তকারী সংস্থা ইতিমধ্যেই একাধিক বিধায়কের সঙ্গে কথা বলেছে।ঘটনার রাজনৈতিক গুরুত্ব আরও বেড়ে যায় কারণ, এই বিতর্কের মধ্যেই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্পিকারের কাছে নতুন করে আবেদন জানিয়ে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত স্পিকার ঋতব্রত শিবিরের দাবি মেনে নেওয়ায় তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সংঘাত নতুন মাত্রা পেল।অন্যদিকে, যখন বিধানসভায় ঋতব্রত নতুন নেতৃত্বের ঘোষণা করছেন, ঠিক সেই সময় কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষ ও চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক চলছিল। ফলে রাজনৈতিক মহলের মতে, তৃণমূলের অন্দরে ক্ষমতার সমীকরণ নিয়ে যে লড়াই শুরু হয়েছে, তা আগামী দিনে রাজ্যের রাজনীতিতে আরও বড় প্রভাব ফেলতে পারে।পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, পরিষদীয় দলের নেতৃত্ব হারানো শুধু সাংগঠনিক ধাক্কাই নয়, বরং তৃণমূলের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থানের ক্ষেত্রেও বড় প্রশ্নচিহ্ন তৈরি করল। এখন নজর থাকবে কালীঘাট শিবিরের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং বিদ্রোহী শিবিরের শক্তি কতটা স্থায়ীভাবে ধরে রাখা যায়, তার উপর।

জুন ০৩, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের বাড়ি নিয়ে বড় নির্দেশ হাইকোর্টের! সাত দিনের মধ্যে দিতে হবে সব তথ্য

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি নিয়ে চলা বিতর্কে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। সম্পত্তির কোন কোন অংশ নিয়ে আপত্তি রয়েছে এবং কোথায় নির্মাণ সংক্রান্ত সমস্যা চিহ্নিত হয়েছে, সেই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কলকাতা পুরনিগমকে।বুধবার বিচারপতি স্মিতা দাস দে নির্দেশ দেন, আগামী সাত দিনের মধ্যে পুরনিগমকে এই সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য আদালতে জানাতে হবে। সম্পত্তির কোন অংশে নিয়মভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে, কতটা এলাকা সেই অভিযোগের আওতায় পড়ছে এবং কী ধরনের আপত্তি রয়েছে, তার পূর্ণ বিবরণ জমা দিতে হবে।আদালত আরও জানিয়েছে, পুরনিগমের রিপোর্ট জমা পড়ার পর সম্পত্তির মালিকপক্ষকে দুই সপ্তাহের মধ্যে নিজেদের বক্তব্য জানাতে হবে। এরপর চার সপ্তাহ পর মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।জানা গিয়েছে, এই মামলায় শুধুমাত্র অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবন নয়, তাঁর মায়ের নামে থাকা কালীঘাটের একটি সম্পত্তিও আলোচনায় এসেছে। পুরনিগমের দাবি, ওই সম্পত্তির কিছু অংশে নির্মাণ সংক্রান্ত অনিয়ম থাকতে পারে। সেই কারণেই নোটিস পাঠানো হয়েছিল।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের পক্ষ থেকে আদালতে দাবি করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট বাড়িটি সম্পূর্ণ বৈধভাবে নির্মিত। তাঁদের বক্তব্য, কোনও বেআইনি নির্মাণ হয়নি। তা সত্ত্বেও পুরনিগম নোটিস পাঠিয়েছে। সেই কারণেই নোটিস বাতিলের আবেদন জানানো হয়েছে আদালতে।আদালত স্পষ্ট করেছে, মামলার শুনানি চলাকালীন বেআইনি নির্মাণ সংক্রান্ত অন্যান্য প্রশাসনিক প্রক্রিয়া চালিয়ে যেতে পারবে পুরনিগম। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সমস্ত তথ্য ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য খতিয়ে দেখা হবে।এই নির্দেশের পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি সংক্রান্ত মামলাটি নতুন গুরুত্ব পেয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে পুরনিগমের রিপোর্টে কী তথ্য সামনে আসে এবং আদালত পরবর্তী শুনানিতে কী অবস্থান নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের।

জুন ০৩, ২০২৬
কলকাতা

বড় ধাক্কা তৃণমূলে! মেয়র পদ ছাড়লেন ফিরহাদ, কালীঘাটে কী হল ভিতরে ভিতরে?

রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি যখন দ্রুত বদলাচ্ছে, ঠিক সেই সময় কলকাতা পুরসভার মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দিলেন ফিরহাদ হাকিম। বুধবার তিনি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। পরে সেই ইস্তফাপত্র গ্রহণ করা হয়।দিনভর রাজনৈতিক ব্যস্ততার মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত সামনে আসে। উল্লেখযোগ্যভাবে, ইস্তফাপত্র জমা দেওয়ার আগে তিনি নবান্নে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকেও উপস্থিত ছিলেন। এরপর কালীঘাটে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং মেয়র পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছার কথা জানান।দলীয় সূত্রের দাবি, গত কিছুদিন ধরেই মেয়র হিসেবে নিজের দায়িত্ব পালনে নানা সমস্যার মুখে পড়ছিলেন ফিরহাদ হাকিম। প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং পুরসভার বিভিন্ন কাজকর্ম পরিচালনা নিয়ে তাঁর অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল বলেও আলোচনা চলছিল রাজনৈতিক মহলে। সেই কারণেই তিনি একাধিকবার পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন বলে জানা যায়।মঙ্গলবারই কলকাতা পুরসভার এক গুরুত্বপূর্ণ পদাধিকারীর ইস্তফার পর রাজনৈতিক জল্পনা আরও বেড়ে যায়। সেই সময় ফিরহাদ হাকিমের একটি মন্তব্যও বিশেষভাবে আলোচনায় আসে। তিনি বলেছিলেন, তাঁরা একটি দল হিসেবে একসঙ্গে কাজ করেন এবং গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তও একসঙ্গেই নেন। এরপর থেকেই তাঁর ইস্তফা নিয়ে জল্পনা আরও জোরালো হয়ে ওঠে।বুধবার শেষ পর্যন্ত কালীঘাটে গিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগের ইচ্ছা জানান তিনি। প্রথমে তাঁকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ করা হলেও নিজের অবস্থানে অনড় থাকেন ফিরহাদ। পরে তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয় বলে দলীয় সূত্রে খবর।আরও পড়ুনঃ হেভিওয়েট-র ওয়েট লস, ভাইপো-র মত হেলমেট পরে আদালতে বর্ধমানের কাকাতৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, মেয়র হিসেবে কাজ করতে নানা প্রশাসনিক জটিলতার মুখে পড়ছিলেন ফিরহাদ হাকিম। সেই কারণেই তিনি সম্মানের সঙ্গে পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। দলীয় নেতৃত্বও তাঁর সিদ্ধান্তকে মর্যাদা দিয়েছে।ফিরহাদ হাকিমের পদত্যাগের ফলে কলকাতা পুরসভার প্রশাসনিক দায়িত্ব আপাতত পুর কমিশনারের হাতে থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে প্রশাসক নিয়োগ করা হবে কি না, তা নিয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি।এদিকে চলতি বছরের শেষের দিকে পুরভোট হওয়ার কথা রয়েছে। তবে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির জেরে নির্বাচন নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সব মিলিয়ে ফিরহাদ হাকিমের পদত্যাগ রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা উস্কে দিয়েছে।

জুন ০৩, ২০২৬
কলকাতা

‘মমতা আমাদের পরামর্শদাতা হোন’! বিধানসভা কাঁপানো মন্তব্য ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের

দাবি করা একদল বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে বিধানসভায় উপস্থিত হন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে বিরোধী শিবিরের প্রতিনিধি হিসেবে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন।সাংবাদিক বৈঠকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁদের প্রধান পরামর্শদাতা হিসেবে দেখতে চান। তাঁর কথায়, মমতার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং পরামর্শ তাঁদের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পথচলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। তিনি জানান, গঠনমূলক বিরোধী রাজনীতি করতে গেলে অভিজ্ঞ নেতৃত্বের পরামর্শ প্রয়োজন এবং সেই জায়গায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।একইসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দেন, বর্তমান বিধানসভার কার্যক্রমের সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও প্রত্যক্ষ সম্পর্ক নেই বলে তাঁদের মত। ঋতব্রতের দাবি, তৃণমূলের প্রতীকে নির্বাচিত বহু বিধায়কের সমর্থন তাঁদের সঙ্গে রয়েছে এবং সেই কারণেই তাঁরা নিজেদের প্রকৃত পরিষদীয় প্রতিনিধিত্বকারী গোষ্ঠী বলে মনে করছেন।সাংবাদিক বৈঠকে ভবিষ্যতের রাজনৈতিক কৌশল নিয়েও কথা বলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, তাঁরা বিধানসভার ভিতরে গঠনমূলক বিরোধিতার পথেই হাঁটবেন। কোনও বিল বা প্রস্তাবের সঙ্গে মতভেদ থাকলে তাঁরা তার বিরুদ্ধে ভোট দেবেন, তবে শুধুমাত্র প্রতিবাদের জন্য সভা ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার পথে হাঁটবেন না।ঋতব্রতের বক্তব্য, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মধ্যে থেকেই বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করতে চান তাঁরা। মানুষের স্বার্থে প্রয়োজনীয় বিষয়ে সরকারের সমালোচনা যেমন করবেন, তেমনই ভালো উদ্যোগকে সমর্থনও জানাবেন।এই মন্তব্যের পর রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরামর্শদাতা হিসেবে চাওয়ার বার্তা এবং বিরোধী রাজনীতির নতুন রূপরেখা নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে উঠেছে। আগামী দিনে এই রাজনৈতিক সমীকরণ কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

জুন ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal